উত্তরকোণ

ঘোড়াঘাটে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পৈতৃক জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

ঘোড়াঘাটে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পৈতৃক জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

ঘোড়াঘাট প্রতিনিধি ঃ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের পৈতৃক জমি দখলের চেষ্টা, টিনের ঘর নির্মাণে বাধা দেওয়ায় মারপিট ও প্রাণনাশের হুমকির প্রদান। এ ঘটনায় শ্যামল পাহাড়ী (৪৬) নামে এক ব্যক্তি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। শনিবার সকালে পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শ্যামপুর এলাকার বাসিন্দা কেপি পাহাড়ি ও তার ছেলে শ্যামল পাহাড়ী ১ দশমিক ৪৬ একর পৈতৃক জমি ৩ বোন এর মধ্যে বন্টন করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। এর মধ্যে ৫ শতাংশ জমি মো.বাবু মিয়াসহ কয়েকজন ওই জমি নিজেদের দাবি করে গাছ রোপণ ও টিনের ঘর নির্মাণের চেষ্টা করেন। শ্যামল পাহাড়ী আরও অভিযোগ করেন, তিনি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সম্প্রদায়ের হওয়ায় তার সঙ্গে এমন আচরণ করা হচ্ছে। বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাবু মিয়া। মুঠোফোনে তিনি বলেন, ‘আমি ১০০ শতক জায়গা তাঁর ওয়ারিশের কাছ থেকে কিনেছি। আমার জায়গা আমি নিচ্ছি। কাগজপত্র না দেখলে তো বিষয়টি বুঝবেন না।’ পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিল মো: মেহেদুল ইসলাম বলেন, এরা ৩ বোন এর মধ্যে জমি সমান বন্টন করে দেওয়া হয়। তার অপর ভাগী দুই বোন কিছু জমি বিক্রি করে দেয় এবং আর একবোন কেপি পাহাড়ি তিনি তার ভাগে ৮৫ শতাংশ জমি ভোগদখল করে আসছে। অপর ওয়ারিশের থেকে ক্রয়কৃত বাবু মিয়া গতকাল জোরপূর্বক তার ৫ শতাংশ জায়গা দখলের চেষ্টা করে। ঘোড়াঘাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুস সাত্তার মিলন বলেন, ‘আমরা এই অসহায় পরিবারের পাশে আছি। তাঁরা যাতে ন্যায্য সমাধান পান, সে জন্য সার্বিক সহযোগিতা করব।’ ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, ‘আমরা দুই পক্ষকে ডাকব। তাঁদের কাগজপত্র দেখলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। যাতে একটি সুষ্ঠু সমাধান হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

শেয়ার: