উত্তরকোণ

নন্দীগ্রাম উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ফারুকের সংবাদ সম্মেলন

নন্দীগ্রাম উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ফারুকের সংবাদ সম্মেলন

বগুড়ার নন্দ্রীগ্রাম উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ফারুকুল ইসলাম ফারুক মিথ্যা মামলা থেকে রক্ষ পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছে। ১৭মার্চ সোমবার বেলা সাড়ে ১২টায় বগুড়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিক সম্মেলনে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ফারুকুল ইসলাম ফারুক তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাথে জড়িত। আমি ৫নং ভাটগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি ছিলাম এবং বর্তমানে নন্দীগ্রাম উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং আরাফাত রহমান স্মৃতি সংসদের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক। আমার রাজনৈতিক জীবনে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ কর্তৃক অনেকবার অমানবিক নির্যাতনের স্বীকার হয়েছি। অসংখ্য মামলা ও বহুবার কারাবরণ করেছি তারপরেও দলের নীতি আদর্শের প্রতি আমার ভালোবাসার কোন ব্যতয় ঘটেনি। এই অমানবিক নির্যাতনের এক পর্যায়ে ৫ই আগস্টের পর যখন আমরা একটু স্বস্থির নিঃশ্বাস ফেলেসি তখন কিছু অনুপ্রবেশকারী দলের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে যুক্ত হয়ে দলের সম্মান ক্ষুণ্ন করছে। আমি এই সব অপকর্মের প্রতিবাদ করায় কিছু ধান্দাবাজ নেতাদের মদদে ঐসব নামধারী নেতাদের রোষানলে পরে যাই। যার ধারাবাহিকতায় গত ১৩/১১/২০২৪ ইং তারিখে ৫নং ভাটগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক, নূরনবী, রাজু সহ আরও বেশ কয়েকজন আমার ওপর অতর্কিত হামলা করে। এতে আমি ভীষণভাবে আহত হয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করি। আমাদের দলের সাবেক এমপি মোশারফ ভাইকে বিচার দিয়েও কোন প্রতিকার পাইনি। দলের বদনাম হবে ভেবে আমি মামলাও করিনি। তারপরও তারা আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রাখে এবং আমার নামে বিভিন্ন রকম মিথ্যা অপপ্রচার চালাতে থাকে। এমনকি আমার ব্যবসায়িক পার্টনার মোঃ আরিফকে প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছ থেকে আমি টাকা আত্মসাৎ করিয়াছি মর্মে ভিডিও রেকর্ড করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুবে প্রচার করে। অথচ তার সাথে আমার ব্যবসায়িক হিসাব নিকাশ ২০২৩ সালে স্থানীয় ব্যবসায়িদের উপস্থিতিতে সমাধান করে পৃথকভাবে ব্যবসা করিয়া আসিতেছি। তার সাথে আমার কোন দেনা-পাওনা নেই। এছাড়া সম্প্রতি যুবদল নেতা রাজু আহম্মেদ, পিতাঃ মোঃ দুলাল, গ্রামঃ বিশা সে একই গ্রামের মোঃ লুৎফর রহমান একটি পুকুর খনন করতে গেলে তার কাছ থেকে ৪,০০০/- (চার হাজার) টাকা চাঁদা নেয়। সে ঘটনার প্রতিবাদ করে একই গ্রামের লিটন নামের এক যুবক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুন্দারহাটের ভেতর লিটনকে মারপিট করে এবং হাটের জনগণ তাকে উদ্ধার করলে প্রাণে বেঁচে যায় লিটন। পরবর্তীতে রাজু সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল ইসলামকে জানালে রবিউল ইসলাম উপজেলা নেতৃবৃন্দের সাথে নিয়ে গত ০৬/০৩/২০২৫ ইং তারিখে রাতে কুন্দারহাটে এসে সাধারণ লোকজনকে এলাপাতারী মারপিট করে এবং পুলিশ দিয়ে হাসান নামের এক যুবককে উঠিয়ে নিয়ে যায়। পরের দিন জামায়াতে ইসলামের লোকজন তাকে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনে। এই ঘটনা বিভিন্ন পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পায়। উক্ত চাঁদাবাজ কথিত যুবদল নেতা রাজু বাদি হয়ে আমাকে ও নন্দীগ্রাম উপজেলা শ্রমিকদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমানসহ ১১ জনকে আসামী করে নন্দীগ্রাম থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে এবং পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত না করেই মামলা এন্ট্রি করে। প্রকৃতপক্ষে আমরা কেউ এই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত নই। আমরা এই মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

শেয়ার: