উত্তরকোণ

আওয়ামী লীগ সভাপতির পক্ষে জেলা বিএনপির উপদেষ্টার আইনি লড়াই আদালত পাড়ায় তোলপাড়

আওয়ামী লীগ সভাপতির পক্ষে জেলা বিএনপির উপদেষ্টার আইনি লড়াই আদালত পাড়ায় তোলপাড়

বগুড়া : বগুড়া জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও বগুড়া বারের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম (১) আওয়ামী লীগের সভাপতির পক্ষে আদালতে জামিন আবেদন করায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিয়ষটি নিয়ে জেলা জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠছে। বিএনপি সমর্থিত ব্যক্তিরা বলছেন, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য হয়ে তিনি কিভাবে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পক্ষে আদালতে কথা বলেন।  জানা যায়, আসামী এ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক এর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বরে বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের হয়। তিনি শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। আসামী গোলাম ফারুক শেরপুর উপজেলার গোসাইপাড়া হাজীপুর গ্রামের মৃত-আব্দুস সালাম এর ছেলে। এই মামলার আসামী গোলাম ফারুক গত ৮ জানুয়ারি সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ থেকে ৮ সপ্তাহের জামিন পান এবং বগুড়ার নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে জামিন নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। সে কারণে তিনি ২ মার্চ তারিখে বগুড়ার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ শাহজাহান কবির এর আদালতে জামিন প্রার্থনা করেন। বিজ্ঞ আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। এদিকে বগুড়া আদালতে আসামীর পক্ষে জামিনের আবেদন করেন জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও বগুড়া বারের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম। আইনজীবীর এমন কর্মকান্ডে বগুড়ায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। আওয়ামী ফ্যাসিস্টের পক্ষে আদালতে দাঁড়ানোর ঘটনায় বিএনপি সমর্থিদের মাঝে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। রাষ্টপক্ষের আইনজীবী আব্দুল বাছেদ বলেন, নৈতিকতার দিক থেকে এটা মোটেও ঠিক করেননি জেলা বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম। আমরা শহীদ জিয়ার সৈনিক। জাতীয়তাবাদী আদর্শকে বিশ্বাস করি। ক্ষমতা থাকলে আমার অধীনে থাকা কেউ এমন অপরাধ করলে তাকে বহিস্কার করতাম।  বগুড়া জেল সুপার ফারুক আহমেদ জানান, শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক জেলা কারাগারে রয়েছেন।  বগুড়া এ্যাডভোকেটর বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলামের সাথে ফোনে যোগযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শেয়ার: