বগুড়া জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসানের পক্ষে ২মার্চ রবিবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাবে পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন বগুড়া পৌর সভার কলোনী এলাকাবাসীর পক্ষে মিজানুর রহমান মিজান। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, প্রিয় সাংবদিক বৃন্দ, আপনারা সমাজের দর্শন। আপনাদের বিচক্ষণতায় গড়ে উঠে একটি সুষ্ঠু সমাজ এগিয়ে যায় দেশ। গত ১ মার্চ শনিবার বগুড়া প্রেসক্লাবে মোছাঃ জিন্নাত আরা নামের একজন মহিলা বগুড়া জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসানের নামে মিথ্যা ও বানোয়াট তখ্য উপস্থাপন করে উদ্দেশ্য প্রণোদিও ভাবে মারাত্মক ভাবে মানসম্মান ক্ষুন্ন করেছেন। জিন্নাত আরা তার লিখিত বক্তব্যে কোথাও তার স্বামীর নাম উল্লেখ করেননি কেন?। কারণ তার স্বামী মোঃ কামাল হোসেন মিলনের বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা, চাঁদাবাজী, ভূমিদস্যুতা, ডাকাতি, রাহাজানি, ছিনতাই, চুরির ধারায় মামলার আসামী হয়ে পলাতক রয়েছেন। আর এক ভাই রন্টু তিনিও পলাতক, আরও এক ভাই মিনকো পুলিশের উপর হামলা চালাতে গিয়ে ক্রস ফায়ারে নিহত হন। মিনকো নিহত হবার পর বেশ কিছুদিন এলাকা শান্ত ছিল। তারপর আবারও তারা এলাকাবাসীর উপর বিভিন্ন অত্যাচার নির্যাতন শুরু করেন। আবু হাসানের বেড়ে উঠা বলাচনে আমাদের সামনেই। যে অত্যান্ত নম্র-ভদ এবং সুসূদন একজন মানুষ। কারও সাথে অন্যায় করতে আমরা দেখি নাই। তার পূর্ব পুরুষরা স্থানীয় ভাবে শহরের এলাকায় নিজস্ব সম্পত্তিতে বসবাস করে আসছে। তার নিজস্ব গাড়ি তো দূরের কথা তার একটি মোটর সাইকেল বা বাই সাইকেলও নাই। জিন্নাত আরা একজন প্রতারক, মিথ্যাবাদী। তিনি বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন চাঁনকে তার নিজের চাচা হিসেবে দাবি করেছেন। পক্ষান্তরে ক জয়নাল আবেদিন চাঁন তাকে চেনেন না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, উক্ত জিন্নাত আরা তার লিখিত বক্তব্যের পরিপূর্ণ ব্যাখা আবু হাসানের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং আপনাদের মাধ্যমে তাদের জানাতে চাই আগামী ৭ দিনের মধ্যে লিখিত বক্তব্যের সত্যতা প্রমাণ না দিতে পারলে দেশের প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরও আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বেশ কয়েকটি ফেইজবুকে ভুয়া কয়েকটি আইডি খুলে। আবু হাসান সহ গন্যমান্য ব্যক্তিদের চরিত্র হনন করে বিভিন্ন পোস্ট দেওয়া হচ্ছে। এগুলোর বিরুদ্ধেও দেশের প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

