স্টাফ রিপোর্টার : বগুড়াকে উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার মূল কেন্দ্র ও ট্রান্সশিপমেন্ট হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিনিযোগ সম্ভাবনা শীর্ষক এক ডেভেলপমেন্ট সংলাপ আজ রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে বগুড়া প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। পেনিনসুলা কনসর্টিয়ামের আয়োজনে এবং জুলাই ৩৬ ফোরাম ও অপরাজেয় বাংলার সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত সংলাপে সভাপতিত্ব করেন ট্রেড ও ইনভেস্টমেন্ট বিশ্লেষক এমএএন শাহীন এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের মুখপাত্র সুব্রত ঘোষ সুমন।
মূল বক্তব্যে এমএএন শাহীন বলেন, বগুড়া কেবল উত্তরাঞ্চলের কৌশলগত কেন্দ্র নয়, বরং বাংলাদেশসহ উত্তর-পূর্ব ভারত, নেপাল, ভুটান এবং চীনের জন্য একটি গুরুত্বপূণর্ ট্রান্সন্যাশনাল হাব হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। এর ভৌগোলিক অবস্থান দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, যা এ অঞ্চলের আর্থিক প্রবৃদ্ধিতে নতুনমাত্রা যোগ করবে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি বাংলাদেশের চমৎকার অর্থনৈতিক যাত্রার এক অসাধারণ কাহিনী। স্বাধীনতার শুরুতে দেশের পার ক্যাপিটা ইনকাম ছিল মাত্র ৭০ ডলার এবং প্রথম বাজেট ছিল ৫০ কোটি টাকা। আজ পার ক্যাপিটা আয় ২৫০০ ডলারের ওপরে এবং বাজেট দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ কোটি টাকারও বেশি। ১৬ বছর আগে বাংলাদেশকে ‘নেক্সট ইলেভেন’ বলা হতো, কিন্তু আজ আমরা ১১টি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণের সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি।
এই ১১টি গ্রোথ সেন্টারের মধ্যে বগুড়াকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা শুধু উত্তর-পশ্চিম বাংলাদেশ নয়, বরং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, নেপাল, ভুটান এবং চীনের সাথে সম্পর্কিত কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে।’ বগুড়ার সম্ভাব্য খাতগুলোর মধ্যে কৃষিভিত্তিক শিল্পে বগুড়াকে আন্তর্জাতিক কৃষি রপ্তানির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল করলে সড়ক, রেল ও স্থলবন্দর সংযোগ সুবিধা বিদেশি বিনিয়োগে সহায়ক হবে।

