কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ দেশব্যাপী গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্প (বাংলাদেশ সরকার ও (জিওবি) অর্থায়নে কাহালু পৌর হাট ও বাজারে বহুতল নির্মাণে ১ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার ৫”শ ৪৮ টাকার কাজটি পান সিরাজগঞ্জে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স অক্কান এন্টারপ্রাইজ। এবং কাহালু পৌর পুরাতন হাট সেট অপরারণ করে ভবনের কাজ শুরু করেন বিগত ১৩ মে/২৪ ইং। কাজ সমাপ্ত করার সময় সীমা ছিল ২৯ মে/২৫ইং তারিখ পর্যন্ত। অর্থাৎ ১ বছর সেখানে ২ বছর অতিবাহিত হলেও এখন কাজের ৮০ ভাগ সমাপ্ত হয়নি। ঠিকাদারের কাজকর্মে স্থানীয় ব্যবসায়ী মহল থেকে শুরু করে কাজের লেবার মিস্ত্রীরাও অসন্তোষ। জনদুর্ভোগ চরমে।স্থানীয় ব্যবসায়ী অভিযোগ বহুতল ভবনের ল্যাক্টিনের কাজ সমাপ্ত না করেই ল্যাক্টিন ব্যবহার এবং পানি নিস্কাশনের ড্রেন বন্ধ করে রাখায় নির্মাণাধীন ভবনের পার্শ্বের গর্তে পানি জমিয়ে পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে এবং মশা মাছির উপদ্রবের ফলে বিভিন্ন রোগ জীবানু ছড়াচ্ছে। স্থানীয় মৎস্য ও পোল্টি ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান আকন্দ জানান, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক জাহিদ হাসান, আওয়ামী সরকারের সময় কাজটি বাগিয়ে নেন এবং যথারিতি বিল উত্তোলন করেও সময় মত কাজ না করে ফেলে রেখেছে। শুধু কি তাই নির্মাণ কাজের লেবার মিস্ত্রি এমন কি স্থানীয় একাধিক ব্যবসায়ীর বিদ্যুৎ লাইন থেকে বিল পরিশোধের কথা বলে বিদ্যুৎ নিলেও সে বিল এখনও পর্যন্ত পরিশোধ করেননি। এমন কি দেখ ভালের জন্য রাখা শ্রমিক ও রান্নার কাজের ঝিয়ের টাকা পর্যন্ত বাকীঁ রাখায় এবং তাদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচারণ করায় কোন লেবার ও মিস্ত্রি সেখানে কাজ করতে চায়না। ঠিকাদার জাহিদ হাসানের সাথে কথা বলা হলে তিনি বলেন আমি অন্যকাজে বাহিরে আছি। তবে তিনি তার বিরুদ্ধে করা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ অস্বীকার করেন। বিষয়টি নিয়ে কাহালু উপজেলা প্রকৌশলী মুক্তার হোসেন খান এর সাথে কথা বলা হলে তিনি বলেন ঠিকাদার জাহিদ হাসানের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আমরা পেয়েছি কিন্তু তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে এ ব্যাপারে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।