রোহিঙ্গা ইস্যুটি মিয়ানমার থেকে উৎসারিত, মিয়ানমারকেই এটার সমাধান করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক মহলকে এখানে ইনভলভ করতে হবে বলে উল্লেখ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে টেকসই পন্থা: জাতীয় কৌশলের রূপরেখা ও বৈদেশিক অবদান’— শীর্ষক জাতীয় নীতি সংলাপে আজ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের মানবাধিকারের বিষয়টি আমাদের চিন্তায় আছে। তাদের নাগরিক অধিকারের কথা চিন্তায় আছে। রোহিঙ্গা ইস্যুটি বাংলাদেশের জন্য একদিকে যেমন মানবিক দিক থেকে বিবেচনার বিষয়, অন্যদিকে বাংলাদেশের নিরাপত্তার প্রশ্নও এখানে জড়িত। মো. আসাদুজ্জামান বলেন, জাতিসংঘের অধিবেশনে যাওয়ার পর যখন ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটির সাথে আমাদের বৈঠক হয়েছে, তখন আমরা বলেছি যে শুধুমাত্র জোর করে রোহিঙ্গাদের পাঠিয়ে দিলাম বা ইন্টারন্যাশনালি চাপিয়ে দিলেন সেটা নয়। একজন রোহিঙ্গা তার স্বদেশে ফেরত যাওয়ার ক্ষেত্রে তার নিরাপত্তার বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে। সে (রোহিঙ্গা) তার নাগরিকত্ব পাবে, তার মানবাধিকার পাবে, তার মর্যাদা পাবে, তার শিক্ষার অধিকার পাবে সেটা নিশ্চিত করতে হবে এবং এটা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মহলকে সম্পৃক্ত হতে হবে। এ সময় তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতীয় একটি কমিটি আছে। রোহিঙ্গা সমস্যার কিভাবে সমাধান করা যায় সেটা আমরা দেখছি। যেভাবে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকার অতীতে করেছিলেন, আমরাও সে পথ ধরেই হাঁটছি। আমরা মনে করি সে পথ ধরেই রোহিঙ্গা ইস্যুটাকে যৌক্তিক একটা পরিণতির জায়গায় নিয়ে যাওয়া যাবে। নীতি গবেষণা কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক ড. শাকিল আহমেদের পরিচালনায় আজকের সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাবেক রাষ্ট্রদূত ও জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ সুফিউর রহমান।
উত্তরকোণ
রোহিঙ্গা ইস্যুর সমাধান মিয়ানমারকেই করতে হবে: আইনমন্ত্রী

