উত্তরকোণ

ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হলো প্রকৃত অসচ্ছল ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারকে চিহ্নিত করে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা-এমপি বাদশা

ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হলো প্রকৃত অসচ্ছল ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারকে চিহ্নিত করে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা-এমপি বাদশা

স্টাফ রিপোটারঃ বগুড়া-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোঃ রেজাউল করিম বাদশা বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হলো প্রকৃত অসচ্ছল ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারকে চিহ্নিত করে তাদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা। ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হলো এসব উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতির পাশাপাশি নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হবে। একটি পরিবারের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানো গেলে সদস্যদের জীবনমান উন্নত হয়, শিশুদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হয় এবং সমাজে দারিদ্র্য কমিয়ে আনা সম্ভব হয়। তাই এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সঠিক তথ্য সংগ্রহের বিকল্প নেই। সোমবার (১২ অক্টোবর) বগুড়া সিটি করপোরেশনের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দত্তবাড়ী ওয়ার্ড কার্যালয়ে ফ্যামিলি কার্ডবিষয়ক অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উক্ত কথা বলে। ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’—এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং বগুড়া শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে এ কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে বেলা ২টায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জুম প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের সূচনা করেন। বগুড়া শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, বগুড়া জেলা মহিলা দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহজাদী লায়লা আরজুমান ও সাধারণ সম্পাদক নাজমা আক্তার। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রঞ্জনা বেগম, সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হুমায়রা ফারজানা, সদস্য সাদিয়া শারমিন মুমু, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আলহাজ্ব ময়নুল হক বকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এস খন্দকার সোয়েল, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি ফেরদৌস ইবনে রশিদ পিনাকী, সহসভাপতি আমিবুর রায়হান, শহর সমাজসেবা কর্মী আব্দুল মান্নান, শিশির চন্দ্র সরকার, পারুল বেগম, সাবিয়া মেরিন ফৌজিয়সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। সভাপতির বক্তব্যে শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে কেউ যেন নিজের আর্থিক অবস্থা বাড়িয়ে বা কমিয়ে উপস্থাপন না করেন। প্রকৃত তথ্যের ভিত্তিতেই উপকারভোগী নির্বাচন করা জরুরি। ভুল তথ্যের কারণে অযোগ্য কেউ সুবিধা পেলে প্রকৃত অসহায় পরিবার তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারে। এ জন্য তিনি এলাকাবাসীকে তথ্য সংগ্রহকারীদের সহযোগিতা এবং দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সঠিক তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানান।

শেয়ার: