উত্তরকোণ

কাহালুর বামুজা সিদ্দিকিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসা মাঠে জলাবদ্ধতা পাঠদান ব্যাহত বিপাকে শিক্ষক/শিক্ষার্থীরা

কাহালুর বামুজা সিদ্দিকিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসা মাঠে জলাবদ্ধতা পাঠদান ব্যাহত বিপাকে শিক্ষক/শিক্ষার্থীরা

কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার কাহালুর বামুজা সিদ্দিকিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসা মাঠে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা পাঠদান ব্যাহত, বিপাকে শিক্ষক/শিক্ষার্থীরা। উপজেলার একটি ঐতিয্যবাহী বৃহত্তম দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বামুজা সিদ্দিকিয়া কাহালু ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসা। অজোপাড়া গ্রামে হলেও এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি এলাকায় তথা জেলা ব্যাপী শিক্ষার আলো ছড়িয়ে স্বমহিমায় মহিমান্নিত। কালের চক্রে মাদরাসার কাঠামোগত ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বদৈালতে এলাকাবাসী রাস্তা ঘাট পেয়েছেন, বেড়েছে মানুষের জীবন যাত্রার মান। অথচ যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ঘিরে এত কিছু সেটিই এখন অসুস্থ্য হয়ে পড়েছে। স্থানীয় কিছু মানুষ মাদ্রাসা সহ আশে-পাশের পানি নিস্কাশনের নালা (ড্রেন) ভরাট ও বন্ধ করে অপরিল্পিত ভাবে পুকুর খনন,বসতবাড়ি এবং স্থাপনা নির্মাণ করায় বর্ষার পানি মাদরাসা মাঠে প্রবেশ করে ব্যাপক জলাবদ্ধাতা সৃষ্টি হয়েছে, ফলে পুরো বর্ষা মৌসুম মাদরাসা মাঠ জলমগ্ন থাকে। শুধু তাই না একটু বৃষ্টি হলেই মাদ্রাসা মাঠ ডুবে পানি শ্রেনী কক্ষে প্রবেশ করার অবস্থার পৌঁছে এবং পাঠদান ব্যহৃত হয়ে পড়ে। ভাল পরিস্কার জামা-কাপড় পরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সেখানে চলাফেরা পর্যন্ত করতে পারেনা। জলাব্ধতা নিরসনে গত ১৭মে/২৬ মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ কাহালু উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি আবেদন করলেও সে ব্যাপারে এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ হতে দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি। এদিকে গত ২ দিনের টানা বৃষ্টির ফলে মাদরাসা মাঠে ২ থেকে আড়াই ফিট পানি জমিয়েছে, ফলে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের চলা ফেরা এবং পাঠদান ব্যহৃত হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে মাদরাসায় গিয়ে দেখা গেছে, মাদরাসার পুরো মাঠ পানির নীচে। শিক্ষক/শিক্ষার্থীরা শ্রেনীকক্ষ ছাড়া বাহিরে বেরতে পারছেনা। আর একটু বৃষ্টি হলেই পানি শ্রেনী কক্ষে প্রবেশ করবে, মাঠে খেলা-ধুলার তো কোন পরিবেশ নেই। মাদ্রাসার কক্ষ ছাড়া সেখানে নামা বা চলা-ফেরা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওঃ আব্দুল কাদের তালকদার এর সাথে কথা বলা হলে তিনি জানান, পনি নিস্কাশনের সমস্ত রাস্তা বন্ধ ও ভরাট করায় মাদরাসার ও আশ-পাশের পানি এসে মাদরাসা মাঠে জমে জলাব্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরও জানান, মাদরাসা গর্ভনিং বডির সম্মানিত সদস্য ও সভাপতি মহোদয়ে পরামর্শ্বে আমারা ইতি পূর্বে কাহালু উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর প্রতিকার চেয়ে একটি আবেদন করেছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষে আমরা দেখতে পাইনি।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের আবেদনের ও মাদরাসা মাঠে জলাবদ্ধাতার বিষয় নিয়ে কাহালু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. মলিহা খানম এর সাথে কথা বলা হলে তিনি আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং বিষটি তদন্ত সমস্য সমাধানের জন্য সাথে সাথে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে সেখানে প্রেরণ করেন।  বৃহস্পতিবার দুপুরে কাহালু উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাজীব কুমার বিশ্বাস সরে জমিনে সেখানে গিয়ে বিষটি পরিদর্শন করেন।

শেয়ার: