উত্তরকোণ

বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি নির্বাচনে বাদল-হিরু পরিষদের নিরুঙ্কুশ বিজয়

বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি নির্বাচনে বাদল-হিরু পরিষদের নিরুঙ্কুশ বিজয়

বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি নির্বাচনে বাদল-হিরু পরিষদ নিরুঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে। চেম্বারের ১২ টি পদের সকল প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। সভাপতি পদে এম এস এম আতিকুর রহমান বাদল (গোলাপ ফুল)৬৯৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন সেলিম রেজা। সহ সভাপতি পদে মো. হামিদুল হক চৌধুরী হিরু(আনারস) ৭২৬ ভোট পেয়ে এবং মো. মামদুদুর রহমান শিপন(খেজুর গাছ) ৫৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও পরিচালক পদে বিজয়ী ৯ প্রার্থীরা হলেন, খন্দকার মেজবাহুল হক রন্টু (দোয়েল পাখি) ৬১২ ভোট, শ্রী পরিমল চন্দ্র দাস(ফুটবল)৫৯৬ ভোট, মো. আজিজার রহমান মিল্টন (উড়োজাহাজ) ৫৭৯ ভোট, মো. শাহিনুর ইসলাম সবুজ (কাপ পিরিচ) ৫৬৯ ভোট, এসএম নূর ই আলম সিদ্দিকী পল্লব (হরিণ) ৫৫৭ ভোট, রাসেদুল ইসলাম (মই) ৫৫৩ ভোট, শফিকুল ইসলাম খোকন (দোয়াত কলম) ৫৩২ ভোট, শামসুল হক বেনু (চেয়ারমার্কা) ৫৫২ ভোট এবং ডা. মতিউর রহমান (চশমা) ৪৬৬ ভোট। দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি-এর (২০২৬-২০২৮ মেয়াদের) দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। শনিবার (৫ জুলাই ২০২৬) শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে দুইটি প্যানেল থেকে সভাপতি পদে ২জন, সহ-সভাপতি পদে ৪ জন এবং পরিচালক পদে ২২জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সব মিলিয়ে ১২টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ২৮ জন প্রার্থী। এ নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় বাদল-হিরু পরিষদ এবং সেলিম-এরশাদ পরিষদ-এর মধ্যে। তবে চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যায়, বাদল-হিরু পরিষদ এককভাবে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। নির্বাচন ঘিরে সার্বিক পরিবেশ ছিল শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর। ব্যবসায়ী মহল মনে করছেন, নতুন নেতৃত্ব বগুড়ার ব্যবসা-বাণিজ্যকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করে তুলবে। সর্বশেষ ২০০৭ সালে সরাসরি ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হন ফজলুর রহমান পাইকার। এরপর ২০০৯ সালে নেতৃত্বে পরিবর্তন আসে। ২০১৩ ও ২০১৭ সালে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বিনা ভোটেই নেতৃত্ব নির্ধারিত হয়। গত বছরের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে নতুন নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

শেয়ার: