সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে লক্ষ্য করা যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব বগুড়া জেলা শাখা নামের একটি ভূঁইফোড় সংগঠন আত্মপ্রকাশ করেছে। মূলত ফ্যাসিস্টের দোসররা অখ্যাত সব পত্রিকা ও অনুমোদনহীন অনলাইন, ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে নিজেদেরকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানে ব্লাক মেইল করে অর্থ আদায়ের সাথে জড়িত থাকার অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। তারা মূলত পতিত আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করার জন্য কাজ করে চলেছে। বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সদস্যদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। বিধায় আমরা মনে করি তারা কোন ধরনের সাংবাদিক নয়। তারা বিভিন্ন ব্যবসার সাথে জড়িত। বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের তথাকথিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ সাধারণ সদস্যদের সাথে বগুড়ার মূলধারার সাংবাদিকদের কোন সংশন নাই। তাদের অপকর্মের দায় বগুড়া প্রেস ক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া নেবে না আমরা প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি। বগুড়া প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি রাহাদ রিটু, সাধারণ সম্পাদক কালাম আজাদ এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সভাপতি গণেশ দাস ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু সাঈদ এর যৌথ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উক্ত আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য : বৈধ কাগজপত্র ছাড়া কোন ব্যক্তি যদি যানবাহনের সামনে বা পিছনে চৎবংং লেখা সম্বলিত স্টীকার ব্যবহার করে তাকেও আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানাচ্ছি।
উত্তরকোণ
বগুড়া প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার যৌথ বিবৃতি

