ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে ৮৭ উপজেলায় ৩৫ শতাংশের কমবেশি ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। ভোট পড়ার প্রকৃত তথ্য জানতে আরো কয়েক ঘণ্টা
নির্বাচন কমিশনার (ইসি) রাশেদা সুলতানা বলেছেন, ভোটারদের ভয় দেখানো যাবে না। সবাইকে অবশ্যই আচরণবিধি মেনে চলতে হবে। কোন প্রার্থী কারো বলয়ের মধ্যে গিয়ে ভোটারদের ভয় দেখালে তার প্রার্থিতা বাতিল করা
দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬টি উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে ৩০ শতাংশের বেশি ভোট পড়ে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেছেন, ভোট পড়ার সুনির্দিষ্ট হার আগামীকাল পাওয়া
দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রথম দুই ঘণ্টায় আট শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার (২১ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবন থেকে এ তথ্য জানান ইসির অতিরিক্ত
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা প্রভাব বিস্তার করতে পারবেন না। তবু কোনো মন্ত্রী ও এমপি (সংসদ সদস্য) ভোটে প্রভাব বিস্তার
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব জাহাংগীর আলম বলেছেন, বর্তমান আইনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উপজেলার ২৫০ জন ভোটারের সম্মতি প্রয়োজন হয়। ২০০৮ সালের এই বিধিকে ২০২৪ সালের যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে কাজ করা
নওগাঁ প্রতিনিধি : নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা বলেছেন- নির্বাচন কমিশনকে মানুষের কাছে আস্থার জায়গা তৈরি করতে হবে। এটা যদি নষ্ট হয়ে যায় বা গোটা নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যায়
গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর রেশ কাটতে না কাটতেই স্থানীয় সরকারের সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ ও বিভিন্ন শূন্যপদে উপ-নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ তফসিল
নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা নষ্ট হয়ে গিয়েছে মন্তব্য করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক নেতৃত্বের একটি পদ্ধতি অন্বেষণ করা প্রয়োজন। বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে
৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি বলে বিবৃতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। দুই দেশের এমন বিবৃতির বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবে না নির্বাচন কমিশন