গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মোট ৩৪৯টি ভোটের মধ্যে তিনি ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। ভোট পড়েছে মোট ৩৪৩টি। নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম। তিনি পেয়েছেন ৮৮ ভোট। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে সংসদ সদস্যদের ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে প্রকাশ্যে ভোট গণনা করা হয়। আজ (বৃহস্পতিবার) রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রধান নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ভোট গণনা শেষে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম ঘোষণা করেন। ভোটগ্রহণের শুরুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপির সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভোট দেন। এরপর ভোট দেন সংসদ সদস্যরা। সিইসি জানান, এ বিষয়ে দ্রুত গেজেট প্রকাশ করা হবে। এ নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন। তাদের মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস, চট্টগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্রাক্ষণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পরদিনই শপথ অনুষ্ঠান রয়েছে। জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, ২১ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ২০০১ সালে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন তিনি। এখন তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার সদস্য তিনি। গত বুধবার বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় বিএনপির মহাসচিব স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যোগ দেন। এটি ছিল তার শেষ সভা। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরপরই তার আসনটি (ঠাকুরগাঁও-১) আসনটি শূন্য হয়ে গেছে। এই আসনে এখন উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
উত্তরকোণ
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

