স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি বলেছেন, মৌচাষ শুধু একটি লাভজনক অর্থনৈতিক কার্যক্রম নয়, এটি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান প্রেক্ষাপটে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মৌমাছির অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মৌচাষ সম্প্রসারণে আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ২৪ মে রোববার সকাল ১১টায় বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (আরডিএ) আয়োজিত বিশ্ব মৌমাছি দিবস উপলক্ষে দিন ব্যাপী জলবায়ু সহনশীল মৌচাষ ও মৌজাত পণ্যের উপকারিতা শীর্ষক সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উক্ত কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে মৌচাষ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে যুব সমাজ ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে মৌভিত্তিক শিল্পের সম্ভাবনা অনেক বেশি। বিএনপি সরকার এ খাতের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলেও জানান তিনি। বগুড়াকে হাব করে মিল্কভিটার আদলে মৌচাষীদের নিশ্চিত কর্মসংস্হান সৃষ্টির লক্ষ্যে সমবায় সমিতি গঠন করার কথাও জানান তিনি। বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (আরডিএ) মহাপরিচালক(রুটিন দায়িত্ব) মোঃ ফেরদৌস হোসেন খান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বাসা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ও বাংলাদেশ মৌচাষী সোসাইটির চেয়ারম্যান একেএম সিরাজুল ইসলাম, পল্লী উন্নয়ন একাডেমি গোপালগঞ্জ এর মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন। অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য রাখেন আরডিএ বগুড়ার পরিচালক (প্রশিক্ষণ) মোঃ দেলোয়ার হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আরডিএ বগুড়ার উপ-পরিচালক ডঃ মনিরুল ইসলাম, মূল প্রবন্ধ আলোচক আরডিএ বগুড়ার সাবেক পরিচালক ড. এ কে এম জাকারিয়া। জলবায়ু সহনশীল মৌচাষ ও মৌজাত পণ্যের উপকারিতা শীর্ষক সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৩৫০ জন মৌচাষী অংশগ্রহন করেন। অনুষ্ঠানে আরডিএ’র কর্মকর্তাগণ, প্রশিক্ষক, মৌচাষি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। পরে আরডিএ প্রাঙ্গনে বৃক্ষরোপন করেন প্রধান অতিথি।