বগুড়া সদর উপজেলার এরুইল বাজার এলাকায় লিজ নেওয়া পুকুর জোরপূর্বক দখল, নৈশপ্রহরীকে মারধর এবং উল্টো মিথ্যা তথ্য দিয়ে হয়রানির চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে বগুড়া প্রেস ক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগী মাছ চাষী মো: শোয়াইব (৪২)। তিনি সদর উপজেলার রহমান নগর এলাকার মৃত মো: আব্দুল লতিফের ছেলে। মূলত স্থানীয় বাসিন্দা মোছাঃ শাহানাজ পারভীনের করা একটি মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদ ও প্রকৃত সত্য তুলে ধরতেই তিনি এই পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মো: শোয়াইব জানান, এরুইল বাজার সংলগ্ন দূর্গাপুর রোডে অবস্থিত ৮ বিঘা আয়তনের একটি পুকুর তিনি যথাযথ নিয়ম অনুযায়ী সনপত্তন (লিজ) নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাছ চাষ করে আসছেন।উক্ত পুকুরের পাশেই মোছাঃ শাহানাজ পারভীনের খামার (ফার্ম) ও বসতবাড়ী রয়েছে।
লিখিত অভিযোগে জানানো হয়, শাহানাজ পারভীনের বাড়ির পাশে অবস্থিত এই পুকুরটি দখল করার উদ্দেশ্যে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে পাঁয়তারা করে আসছে। পুকুরটি পাহারার জন্য প্রথমে মো: বাবলু সরকার টুলুকে নিয়োগ দেওয়া হলে বিবাদী পক্ষ তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখায়, যার কারণে তিনি চাকরি করতে অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে মো: লাল মিয়াকে পাহারাদার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলে বিবাদীগণ তাকেও অনুরূপভাবে ভয়ভীতি দেখাতে থাকে এবং লোকজনকে পুকুরপাড়ে আসতে বারণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৪/০৪/২০২৬ তারিখ আনুমানিক রাত ১০:৫০ মিনিটে পূর্ব শত্রুতার জেরে স্থানীয় মো: তুহিন (২৬), মো: আজিজ (২৪), আ: করিম (১৯) সহ আরও কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে পুকুরপাড়ে অনধিকার প্রবেশ করে। তারা পুকুরের মালিক মো: শোয়াইবকে খোঁজাখুঁজি করে এবং তাকে না পেয়ে সেখানে কর্মরত নৈশপ্রহরী মো: লাল মিয়াকে গালিগালাজ ও মারধর করে গুরুতর আহত নৈশপ্রহরী লাল মিয়াকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় বগুড়া সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয় (জিআর নং- ৫৯/২০২৬)।তিনি বাংলাদেশের আইন ও আদালতের প্রতি পূর্ণ আস্থা ব্যক্ত করে ঘটনার পেছনের মূল সত্য উদঘাটন করতে গণমাধ্যমকর্মীদের বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধানের অনুরোধ জানান।