1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
পরামর্শক পেল সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথ প্রকল্প - Uttarkon
শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ১২:২১ পূর্বাহ্ন

পরামর্শক পেল সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথ প্রকল্প

  • সম্পাদনার সময় : সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১২৫ বার প্রদশিত হয়েছে

ঢাকা : থমকে থাকা সিরাজগঞ্জের শহীদ মনসুর আলী স্টেশন থেকে বগুড়া পর্যন্ত ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান রাইটস ইন্ডিয়া লিমিটেড এবং আরভি ইন্ডিয়া যৌথভাবে পরামর্শকের কাজ করবে। ৯৮ কোটি টাকার চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ১৩ মাসে তারা প্রকল্পের বিস্তারিত সমীক্ষা ও চূড়ান্ত নকশা প্রণয়ণ করবে। এরপর দরপত্র আহ্বায়ন করা হবে।
সোমবার রাজধানীর রেলভবনে এই সংক্রান্ত চুক্তি সই হয়েছে। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। অনুষ্ঠানে যোগ দেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দ্বোরাইস্বামী। উপস্থিত ছিলেন রেল সচিব সেলিম রেজা, রেলওয়ের মহাসচিব ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদারসহ ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা। চুক্তিতে রেলের পক্ষে প্রকল্প পরিচালক আবু জাফর মিঞা এবং পরামর্শকের পক্ষে রাইটস ইন্ডিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্জয় আগারওয়াল সই করেন।
নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘৮৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথ উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রাজধানীর রেল যোগাযোগ সহজ করবে। ১১২ কিলোমিটার দূরত্ব কমবে। বাংলাদেশের রেল ব্যবস্থা যমুনা সেতু দ্বারা বিভক্ত। পশ্চিমে ব্রডগেজ রেলপথ এবং পূর্বে মিটারগেজ রেলপথ। সরকার সারাদেশকে একই রেল নেটওয়ার্কে আনতে কাজ করছে। সে কারণে নতুন সব রেলপথ ডুয়েলগেজ হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সব রেলপথ ডাবল লাইনে উন্নীত হবে।’
বাংলাদেশের রেলের উন্নয়নে সহযোগিতার জন্য ভারতকে ধন্যবাদ জানান রেলমন্ত্রী। নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘ভারতের অর্থায়নে খুলনা থেকে মোংলা, ঢাকা-টঙ্গী তৃতীয় ও চতুর্থ রেললাইন, টঙ্গী-জয়দেবপুর ডাবল লাইন, পার্বতীপুর- কাউনিয়া, খুলনা-দর্শনা, কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেলপথ নির্মাণসহ নানা প্রকল্প চলছে। পাঁচ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথে ভারত দেবে তিন হাজার ১৪৬ কোটি টাকা। ভারত ১০টি ইঞ্জিন উপহার দিয়েছে বাংলাদেশকে।’
প্রকল্প পরিচালক আবু জাফর  বলেছেন, আগামী ছয় মাসে বিস্তারিত সমীক্ষা পর্যালোচনা করবে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান। পরের সাত মাসে বিস্তারিত নকশা করা হবে। এরপর দরপত্র আহ্বান করা হবে। আশা করছেন, ২০২৩ সালের শুরুতেই রেলপথ নির্মাণের কাজ শুরু করা যাবে।
২০১৮ সালে সরকারের অনুমোদন পায় সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথ। কিন্তু পরামর্শক নিয়োগ না হওয়ায় তিন বছরে প্রকল্পের অগ্রগতি নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright &copy 2022 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies