1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
আরেক দফা বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম - Uttarkon
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন

আরেক দফা বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম

  • সম্পাদনার সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৪৫ বার প্রদশিত হয়েছে

ঢাকা: দুই দিনের ব্যবধানে আরেক দফা বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম। দামে লাগাম টানতে সরকারের পক্ষ থেকে চিনির দর নির্ধারণ করা হলেও বাজারে কার্যকর করা যায়নি। আগের মতো বাড়তি দরেই বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি সপ্তাহের ব্যবধানে আটা-ময়দা, দেশি পেঁয়াজ, আলু, দেশি আদা ও ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। রাজধানীর কাওরান বাজার, নয়াবাজার ও রামপুরা বাজার ঘুরে এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানা গেছে।
তারা জানান, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা, যা দুই দিন আগেও ১২৬ টাকা ছিল। পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৭১৫ টাকা, যা এক দিন আগে ছিল ৭১০ টাকা। পাশাপাশি প্রতি লিটার খোলা পাম অয়েল বিক্রি হয়েছে ১২০-১২৬ টাকা, দুই দিন আগে ছিল ১১৬-১২০ টাকা। এছাড়া প্রতি লিটার পাম অয়েল সুপার বিক্রি হয়েছে ১২৫ টাকা, যা দুই দিন আগে ছিল ১২০ টাকা।
এদিকে বৃহস্পতিবার সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দৈনিক বাজার পণ্য মূল্যতালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিনের দাম ১ দশমিক ১৫ শতাংশ, পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিনে শূন্য দশমিক ৩৬ শতাংশ, খোলা পাম অয়েল লিটারে ৪ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং পাম অয়েল সুপারে ২ শতাংশ বেড়েছে।
রাজধানীর কাওরান বাজারে নিত্যপণ্য কিনতে আসা মো. সালাউদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, ভোজ্যতেলের দামে সংশ্লিষ্টরা লাগাম টানতে পারছে না। বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধির অজুহাতে প্রতিনিয়ত গত বছর থেকে দাম বাড়িয়েই যাচ্ছে। ধরলাম আজ বিশ্ববাজারে আবারও তেলের দাম বেড়েছে; কিন্তু সেই দামে তেল আজই অভ্যন্তরীণ বাজারে আসেনি বা আসার কথাও না। তাহলে কীভাবে সপ্তাহের ব্যবধানে আবার তেলের দাম বাড়ে? এ বিষয়ে সরকার-সংশ্লিষ্টদের নিবিড়ভাবে বাজার তদারকি করা প্রয়োজন।
দাম বাড়ার কারণ হিসাবে কাওরান বাজারের ব্যবসায়ী মো. আলাউদ্দিন বলেন, মিল পর্যায় থেকে প্রতিনিয়ত নতুন রেট ধরে দেওয়া হচ্ছে। সেই বাড়তি দরেই আমাদের আনতে হচ্ছে। যে কারণে বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। তবে মিল পর্যায় থেকে বাড়তি দরে কেনার পরও রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। চাইলে বলছে নিলে নেন, না নিলে না নেন।
অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতি কেজি খোলা চিনির খুচরা মূল্য ৭৪ ও প্যাকেটজাত চিনির দর ৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু বাজারে তা এখনো কার্যকর হয়নি। প্রতি কেজি খোলা চিনি বৃহস্পতিবার বিক্রি হয়েছে ৭৬-৭৮ টাকা। আর প্যাকেটজাত চিনি ৭৮-৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, আমরা চিনি ও ভোজ্যতেলের বাজার বিশেষভাবে তদারকি করছি। তদারকিকালে দেখেছি, অনেকেই সরকারের বেঁধে দেওয়া দরে চিনি বিক্রি করছে না। কেন তারা বিক্রি করছে না, এর কারণ জেনে আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি। অনেককে জরিমানা করা হয়েছে। আবার অনেককেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পরবর্তী সময়ে একই ভুল করলে প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দেওয়া হবে।
বাজারের খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এদিন প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪৪-৪৫ টাকা, যা তিন দিন আগে ছিল ৪০-৪৫ টাকা। কোম্পানিভেদে প্রতি কেজি প্যাকেটজাত আটা বিক্রি হয়েছে ৩৫-৪০ টাকা, যা সাত দিন আগে ছিল ৩৩-৪০ টাকা। প্যাকেটজাত প্রতি কেজি ময়দা বিক্রি হয়েছে ৪৫-৫০ টাকা, যা সাত দিন আগে ছিল ৪৪-৪৮ টাকা। প্রতি কেজি আলু মানভেদে বিক্রি হয়েছে ১৮-২৪ টাকা, যা তিন দিন আগেও ছিল ১৬-২২ টাকা। দেশি আদা মানভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১৬০-১৮০ টাকা, যা দুই দিন আগে ছিল ১২০-১৫০ টাকা। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৪০-১৫০ টাকা, যা সাত দিন আগে ছিল ১৩০-১৪৫ টাকা।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright &copy 2022 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies