বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশবাসীর উদ্দেশে বলেছেন, ‘এবার যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, সেটি যেন আমরা হাতছাড়া না করি। এই সুযোগ হারিয়ে গেলে জাতি হিসেবে আমাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে
‘দ্রুত নির্বাচন দিন, কালক্ষেপণ জনগণ মেনে নেবে না’ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনসহ সব সেক্টর দ্রুত সংস্কার করে নির্বাচন
বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী শক্তি ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।শুক্রবার বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘যারা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ধ্বংস করতে আসবে অত্যন্ত সজাগ ও সচেতন থেকে তাদের যেকোনো ষড়যন্ত্র আমাদেরকে রুখে দিতে হবে।’ শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে
শেখ হাসিনার নির্দেশেই বিডিআর বিদ্রোহে সেনাকর্মকর্তাদের হত্যা করা হয়েছে মন্তব্য করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা ক্ষমতা নেয়ার পরেই পরিকল্পিতভাবে বিডিআর বিদ্রোহের নামে মেধাবী ও
অন্তবর্তী সরকারের তিন মাস পূর্ণ হয়েছে, তারা কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অবশ্যই-অবশ্যই-অবশ্যই তারা অনেকগুলো কাজ করেছে। আমরা বিশ্বাস
দেশের স্বাধীনতাকে সুরক্ষিত করতে ৭ নভেম্বরের চেতনায় জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে আবার এদেশে রাজনীতি ও নির্বাচন করার সুযোগ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশ ও জাতির প্রেক্ষাপটে ৭ নভেম্বর একটি ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী শাসকচক্র আমাদেরকে ইতিহাস জানার অধিকার কেড়ে নিয়েছে। ১৯৭৫
‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে দলটির নেতাকর্মীরা।আজ বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারা। দলের
আজ ঐতিহাসিক সাত নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশের জনগণ মিলে এক ঐতিহাসিক বিপ্লব সংঘটিত করে, যে বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতার স্বাদ