ঘোড়াঘাট, প্রতিনিধিঃ- সংসদীয় আসন দিনাজপুর-৬ (ঘোড়াঘাট, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর ও বিরামপুর) দীর্ঘদিন ধরেই উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত দিনাজপুর-৬ আসনের জনসাধারণ। এটি একটি সীমান্তর্তী হিলিস্থল বন্দরের ব্যবসায়ীক কেন্দ্রবৃন্দু হিসেবে পরিচিত। বারবার রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও জনপ্রতিনিধি বদল হলেও সাধারণ মানুষের জীবনমানের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ছোয়া লাগে না। গত ১৭ বছর আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল এবং তার আগে দীর্ঘ সময় জামায়াতে ইসলামীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। দীর্ঘ তিন দশকের এই রাজনৈতিক শাসনামলে উন্নয়নের বহু প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেলেও বাস্তবে এই অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য কোনো শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠেনি । ফলে এই এলাকার যুবসমাজ আজও বেকারত্বের অভিশাপে জর্জরিত। দিনাজপুর-৬ আসনে হেভিওয়েট দুই প্রার্থীর প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছে । দীর্ঘ ৩০ বছর পর এই আসনে প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ধানের শীষ মার্কা প্রার্থী করায় এলাকায় নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ শুরু হয়েছে। তার প্রার্থিতা ঘিরে ভোটারদের মনে প্রশ্ন জাগছে এবার কি আসলেও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে? উন্নয়ন প্রসঙ্গে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, “দিনাজপুর-৬ এলাকাটি দীর্ঘদিন অবহেলিত। আমার লক্ষ্য হিলিস্থল বন্দরের কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে অঞ্চলের অর্থনৈতিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। মাদকমুক্ত সমাজ ও দক্ষ জনশক্তি গড়াই আমার মূল লক্ষ্য। অপর দিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় মজলিসে সূরা সদস্য ও সাবেক জেলা আমির মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম দারিপল্লা মার্কা নিয়ে আধুনিক কৃষিভিত্তিক শিল্প কারখানা ও কৃষকরা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তবে সাধারণ ভোটারদের অভিযোগ, নির্বাচনের আগে সব দল স্বপ্ন দেখায় । নির্বাচন হয়ে গেলে পরে জনপ্রতিনিধিদের দেখা মেলে না। কৃষিপ্রধান এই অঞ্চলে আধুনিক কৃষিভিত্তিক শিল্প বা হিমাগার না থাকায় কৃষকরা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দিনাজপুর-৬ আসনের মানুষ এখন আর আশ্বাসের রাজনীতি চায় না বিশ্বাসের রাজনীতি চায়। এ অঞ্চলের দৃশ্যমান উন্নয়ন, কলকারখানা এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে বাস্তব বিনিয়োগ প্রধান দাবি বিরাপুরকে জেলা হিসেবে দাবি জানান, চার উপজেলার মানুষর ।