দীর্ঘ ১৯ বছর পর বগুড়ায় নিজে হাতেগড়া বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে প্রথমবারের মতো জুম্মার নামাজ আদায় করলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ৩০ জানুয়ারী শুক্রবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে বগুড়া শহরের বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে আসেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এসময় তিনি সাধারণ মানুষের কাতারে গিয়ে দাঁড়ান এবং জুম্মার নামাজ আদায় করেন। জুম্মার নামাজ আদায় শেষে তিনি মুসুল্লীদের উদ্দেশ্যে কথা বলেন। এসময় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, এই মসজিদটি করা হয়েছিল বগুড়ার মানুষের জন্য। আল্লাহ আমাদের তৌফিক দিয়েছেন বগুড়ার মত জায়গায় এমন একটি মসজিদ গড়ে তোলার। মসজিদের এখনো অনেক কাজ বাকি আছে। যেভাবে পরিকল্পনা করেছিলাম তা বাস্তবায়ন হয়নি। আল্লাহ আমাদের সুযোগ দিলে আগামী মসজিদটি সুন্দর ভাবে গড়ে তোলা হবে। যাতে এটি নিয়ে বগুড়ার মানুষ গর্ব করতে পারে। সকলের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, আল্লাহ একমাত্র সব কিছু দানকারী। আপনারা বগুড়াবাসী আমাকে, আমার পরিবারকে ও দলকে ভালোবাসেন। তার প্রমাণ আপনারা দিয়েছেন। আমার জন্য দোয়া করবেন। তিনি জাতির কল্যাণে আগামী দিনে কাজ করে দেশকে নতুন ভাবে সাজানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এবং তিনি মুসুল্লীদের কাছে দোয়া চান। নামাজ শেষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেন বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদের খতিব মাওলানা মুফতি মনোয়ার হোসেন। এতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য একেএম মাহবুবুর রহমান, বিএনপি চেয়ারম্যান উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য সাবেক মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, সাবেক সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন, বগুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল হাসান রানু, সাধারণ সম্পাদক কালাম আজাদ, মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব তোফাজ্জাল হোসেন সহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং মুসল্লীরা উপস্থিত ছিলেন। তারেক রহমান এই মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করবেন এই খবর ছড়িয়ে পড়লে নামাজের অনেক আগে থেকে মুসল্লীরা ভিড় জমায়। ততকালীন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসািচব তারেক রহমানের উদ্যোগে বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ বগুড়া বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। পরবর্তী ২০০৮ সালের ১১ জানুয়ারি এই মসজিদে প্রথম জুম্মার নামাজের সালাত আদায় তৎকালীন জেলা প্রশাসক সহ সাধারণ মুসল্লীরা।