1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ বগুড়াতে বিএনপির বাহিরে অন্য প্রার্থীকে ভোট দিবেনা মানুষ-ভিপি সাইফুল মোহনপুরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের একদিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গাবতলীতে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ১০৮টির মধ্যে ৭০টি অবৈধ

একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি

  • সম্পাদনার সময় : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩ বার প্রদশিত হয়েছে

একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ফ্যাসিবাদী আমলের পুরোনো মিথ্যা ও প্রতারণামূলক ‘দুর্নীতির বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন’ বয়ান নতুন করে প্রচার করা হচ্ছে। বুধবার বিকেলে গুলশান-২ নম্বরে দলের নির্বাচন পরিচালনা অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমীন এ অভিযোগ করেন। মাহদী আমীন বলেন, জাতীয়ভাবে প্রমাণিত সত্য হলো- বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে দেশে দুর্নীতির হার ধারাবাহিকভাবে কমেছে। তিনি বলেন, ২০০১ সালের অক্টোবরে বিএনপি সরকার গঠনের সময় একটি আন্তর্জাতিক সূচকে দুর্নীতিতে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ০.৪, যা আগের সরকারের সময়কার দুর্নীতির প্রতিফলন। পরবর্তী সময়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি এবং সুশাসনের কারণে ২০০৬ সালে বিএনপি ক্ষমতা ছাড়ার সময় সেই স্কোর বেড়ে ২.০-এ উন্নীত হয়। তিনি আরও বলেন, যে রাজনৈতিক দলটি এখন দুর্নীতির অভিযোগ তুলছে, তারা ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সরকারের অংশ ছিল। সে সময় তাদের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ছিলেন। কিন্তু তখন তারা দুর্নীতির বিষয়ে কোনো আপত্তি বা মন্তব্য করেনি। বর্তমানে নির্বাচনী মাঠে এসে একই দল ফ্যাসিবাদী প্রোপাগান্ডার ধারাবাহিকতা বজায় রাখছে, যা রাজনৈতিক দ্বিচারিতার শামিল। মাহদী আমিন বলেন, এটি আজ স্পষ্ট যে, ভোট চাইতে গিয়ে সেই নির্দিষ্ট দলটি ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার, জান্নাতের প্রলোভন, কোরআন শরীফে শপথ করানো, এমনকি বিকাশ নম্বরে টাকা দেওয়ার বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়ে বেড়াচ্ছে। ফলে যারা নিজেরাই টাকা দিয়ে ভোটারদের ভোট কেনার চেষ্টা করছে আবার তারাই যখন দুর্নীতির গল্প শোনাচ্ছে সেটি তাদের তথাকথিত সততাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। নির্বাচন আচরণ বিধি মেনে চলার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মাহাদী আমীন। বিএনপি চেয়ারম্যানের এই উপদেষ্টা বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি, একটি নির্বাচনী জনসভায় সেই রাজনৈতিক দলটির আমীর বগুড়ায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপন এবং বগুড়া পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন। বাস্তবতা হলো এই দুটি বিষয়ই ইতিমধ্যে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অনুমোদিত এবং এ লক্ষে প্রশাসনিক কার্যক্রম বহমান রয়েছে। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগও সম্পন্ন করেছে। অতএব বিদ্যমান একটি সরকারি সিদ্ধান্তকে নতুন করে দলীয় প্রতিশ্রুতি হিসেবে উপস্থাপন করে বগুড়াবাসীকে বিভ্রান্ত করার যে অপচেষ্টা কেন সেটা প্রশ্ন জাগাচ্ছে। মাহাদী আমীন বলেন, আমরা জানতে পেরেছি যে, নওগাঁ সাপাহাড় উপজেলার একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন আল আমিন চৌধুরীকে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়ার কারণে একটি নির্দিষ্ট দলের নেতাকর্মীদের চাপে সেই চাকরি অব্যাহিত প্রদান করা হয়েছে। এটি নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের একটি বাজে দৃষ্টান্ত। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং প্রত্যেককে যার যার পেশা, যার যার ধর্ম বা স্বাধীনতা সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ন থাকে সে নিশ্চিতের জন্য অবিলম্বে তাকে পুনর্বহালের দাবি জানাচ্ছি। এছাড়া গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে সিলেটে একজন প্রার্থীর বক্তব্য শোনা যাচ্ছে- সেই রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি করেন যে নির্বাচিত হলে তাকে জিজ্ঞাসা না করে কারো বাড়িতে যেতে পারবে না পুলিশ। এটি নিঃসন্দেহে অসাংবিধানিক এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থি। একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী যদি এ ধরনের বক্তব্য দেয়ার সুযোগ পান তাহলে প্রশ্নের সৃষ্টি করে। আমরা বিশ্বাস করি, ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে কাউকে বিনা অপরাধে গ্রেপ্তার করা কোনভাবেই সমীচীন নয়। কিন্তু তাই বলে গ্রেপ্তার করতে হলে কোন একজন সংসদ সদস্য প্রার্থীর বা সংসদ সদস্যের অনুমতি লাগবে এ ধরনের বক্তব্য সেই ফ্যাসিবাদী মনোভাবেরই শামিল। আমরা এ বিষয়ে যথা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আহ্বান জানাচ্ছি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies