ঘোড়াঘাট প্রতিনিধিঃ-দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে বোরো ধান আদর্শ বীজতলা তৈরি দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পুরোনো পদ্ধতির বীজতলার পরিবর্তে এখন আদর্শ বীজতলা তৈরিতে ঝুঁকছেন উপজেলার কৃষকরা। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আদর্শ পদ্ধতিতে চারা উৎপাদনের জন্য প্রথমে শুকনা জমি ভালোভাবে চাষ করে জৈব ও রাসায়নিক সার এ বীজতলা তৈরি করতে হয়। জমি প্রস্তুত হলে ২ হাত প্রস্থবিশিষ্ট বেড তৈরি করতে হয়। মানসম্মত বীজ ২৪ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেগুলো বীজতলায় ছিটাতে হয়। বীজ ছিটানোর ৩৫ থেকে ৪০ দিনের মধ্যে চারাগুলো রোপণের উপযুক্ত হয় ওঠে। উপজেলার পালশা ইউনিয়নের কৃষক মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, “পুরোনো পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরি করে পোকামাকড়ের আক্রমণ ও শীতকালীন বালাই মোকাবিলা করতে হতো। কৃষি বিভাগের পরামর্শে আদর্শ পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরি করে এসব সমস্যা মোকাবিলা করা যায় । উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রফিকুজ্জামান জানান,উপজেলার ১টি পৌরসভা ৪ টি ইউনিয়নে ৯ হাজার ১ শ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এপরিমান জমির জন্য ৬ শ হেক্টর বীজতলার প্রয়োজন। এর মধ্যে আদর্শ বীজতলার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ শ হেক্টর। এছাড়াও তিনি আরো বলেন,সুস্থ ও সবল চারা উৎপাদন, বৈরী আবহাওয়া মোকাবিলা করতে ও কোল্ড ইনজুরি থেকে রক্ষা ও পোকার আক্রমণের ঝুঁকি কম থাকায় কৃষকরা বোরধানের আদর্শ বীজতলা তৈরী করেছেন ।