1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ বগুড়াতে বিএনপির বাহিরে অন্য প্রার্থীকে ভোট দিবেনা মানুষ-ভিপি সাইফুল মোহনপুরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের একদিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গাবতলীতে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ১০৮টির মধ্যে ৭০টি অবৈধ

রাজশাহীতে উৎপাদন খরচ বাড়ার আশঙ্কায় কমেছে আলু চাষ

  • সম্পাদনার সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩ বার প্রদশিত হয়েছে

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী জেলা ও তানোরসহ পুরো অঞ্চলে এবার আলু চাষের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে। কৃষকদের মধ্যে উৎপাদনের খরচ বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও গতবারের লোকসানের কারণে এবার চাষের জমি আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৬ হাজার হেক্টর কম হয়েছে। তবে ইতোমধ্যেই বীজ বপন সম্পন্ন হয়েছে এবং কৃষকরা এখন আলুক্ষেতের পরিচর্যা, সেচ, আগাছা দমন ও রোগবালাই প্রতিরোধে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যমতে, এ বছর তানোরে ১২ হাজার ২৫৫ হেক্টর, বাগমারা উপজেলায় ৬ হাজার ৪৮৫ হেক্টর, মোহনপুরে ৪ হাজার ৪৯৫ হেক্টর, পবায় ৩ হাজার ৪১০ হেক্টর, বাঘায় ২ হাজার ৮৫৭ হেক্টর, গোদাগাড়ীতে ২ হাজার ৯২ হেক্টর, দুর্গাপুরে ১ হাজার ৫২০ হেক্টর, পুঠিয়ায় ৭৭০ হেক্টর, চারঘাটে ১৮০ হেক্টর, বোয়ালিয়ায় ৩৫ হেক্টর এবং মতিহারে ১০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ করা হয়েছে। মোট চাষ হওয়া জমি ৩৪ হাজার ১০৯ হেক্টর, যা গত বছরের ৪০ হাজার হেক্টরের তুলনায় কম। চলতি মৌসুমের জন্য কৃষি অফিসের লক্ষ্যমাত্রা ৩৫ হাজার হেক্টর হলেও তা পূরণ হয়নি। গতবার কৃষি অফিসের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৮ হাজার ৫০০ হেক্টর, যা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তানোর উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের কালনা গ্রামের কৃষক মাহাবুর রহমান বলেন, গতবার আলু চাষে ৬ লাখ টাকা খরচ করে মাত্র ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পাওয়া গিয়েছিল। ঋণও শোধ করা যায়নি। তবুও এবার লাভের আশায় চাষ করেছি। এবার সরকারকে বাজারে ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে হবে, না হলে পরের বছর আর চাষ করব না।
বাগমারা উপজেলার সোনাডাঙা গ্রামের কৃষক এমদাদুল হক বলেন, বীজ রোপণ সময়মতো করেছি। আবহাওয়াও অনুকূলে আছে। নিয়মিত সেচ ও সার দিচ্ছি। গাছ ভালো অবস্থায় আছে। যদি বড় কোনো রোগ না লাগে এবং বাজারে ন্যায্য দাম পাই, তাহলে লাভ হবে। মোহনপুর উপজেলার মেলান্দী গ্রামের শরিফুল ইসলাম জানান, “আলু চাষের খরচ আগের চেয়ে বেড়েছে। বীজ, সার ও শ্রমিকের মজুরি সবই বেশি। তবে ফলন ভালো হলে খরচ উঠবে। সরকার যদি সংরক্ষণ ও বাজার ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে, আমরা উপকৃত হবো। একই সময়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর থেকে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। শীতকালীন মৌসুমে আলুর লেইট ব্লাইট বা মড়ক রোগ মহামারি আকার ধারণ করতে পারে। নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত আলু এই রোগের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। রোগের প্রাথমিক লক্ষণ হলো পাতায় ছোপ ছোপ ভেজা দাগ দেখা যাওয়া, যা দ্রুত কালো হয়ে যায় এবং পাতা পচে যায়। ক্ষেতে আক্রান্ত পাতার নিচে সাদা পাউডারের মতো জীবাণু দেখা যায়। কৃষি অধিদফতর জানিয়েছে, রোগ প্রতিরোধে সাত দিন অন্তর অনুমোদিত ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে দুই গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। যদি ফসল ইতিমধ্যেই আক্রান্ত হয়, তবে সেচ বন্ধ করে ৪–৫ দিন অন্তর ছত্রাকনাশক স্প্রে করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, চলতি মৌসুমে আলুর আবাদ লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি হয়েছে। কৃষকদের উন্নত বীজ, সার ব্যবস্থাপনা ও রোগবালাই দমনে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো রোগবালাই দেখা যায়নি। আবহাওয়ার অনুকূলে থাকলে এবার ভালো উৎপাদনের আশা করা যাচ্ছে। কিছু জমিতে আরও আলু চাষ হলে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies