নুরুল ইসলাম পলাশবাড়ী গাইবান্ধা : পলাশবাড়ীতে সুদানে নিহত শান্তিরক্ষী সেনা সদস্য সবুজ মিয়ার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সুদানে নিহত শান্তিরক্ষী সেনা সদস্য সবুজ মিয়ার মরদেহ ২১ ডিসেম্বর রোববার দুপুরে সেনাবাহিনীর বহনকারী হেলিকপ্টারে সবুজ মিয়ার মরদেহ গাইবান্ধার তুলসীঘাট হেলিপ্যাডে আনা হয়।পরে সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহ গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মহদীপুর ইউনিয়নের ছোট ভগবানপুর পূর্বপাড়া গ্রামে নিজ বাসভবনে নিয়ে আসা হয়।শহীদ সবুজ মিয়ার মরদেহ নিয়ে আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষ সবুজ মিয়ার মরদেহ এক নজর দেখতে ভীড় জমান।এসময় তার মা,স্ত্রীসহ আত্মীয়-স্বজন, পাড়া প্রতিবেশী, বন্ধু-বান্ধবসহ সবুজ মিয়ার মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে আহাজারিতে ভেঙে পড়েন। এবং বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার জানাজা সম্পন্ন করা হয়।পরে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানা যায়,নিহত সবুজ মিয়া,পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে ২০১০ সালের দিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে লন্ড্রি কর্মচারী হিসেবে যোগ দেন।সেই সুবাদে ২৯অক্টোবর ছুটিতে বাড়ি এসে ৩ নভেম্বর পুনরায় কর্মস্থলে যোগদেন এবং গত ৭ নভেম্বর জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে চলে যান।সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত ড্রোন হামলায় দায়িত্ব পালনকালে ১৩ ডিসেম্বর স্থানীয় সময় দুপুর আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিট থেকে ৩টা ৫০ মিনিটের মধ্যে সবুজ মিয়া নিহত হন। নিহত সবুজ মিয়া(২৮),পলাশবাড়ী উপজেলার মহদীপুর ইউনিয়নের ছোট ভগবানপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান ও ছকিনা বেগমের ছেলে।