আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনীর এক লাখ সদস্য মাঠে থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে লটারির মাধ্যমে পুলিশ প্রশাসনকে ঢেলে সাজানো হবে এবং নির্বাচনে সেনাবাহিনীর এক লাখ সদস্য মাঠে থাকবে। এছাড়া দেড় লাখ পুলিশ থাকবে, ৩৫ হাজার বিজিবির সদস্য মাঠে থাকবে এবং সঙ্গে নেভি, কোস্টগার্ডও থাকবে। অতএব, নির্বাচনে কোনো সমস্যা হবে না। নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে। শনিবার দুপুরে পটুয়াখালী সফরকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হবে এটা তো কনফার্ম। এ জন্য আইনশৃঙ্খলাবাহিনী যা যা প্রস্তুতি নেওয়ার তা নিয়েছে। এটার জন্য কোনো শঙ্কা নেই, কোনো বিশৃঙ্খলার সম্ভাবনা নেই, কোনো চ্যালেঞ্জিং নেই। আমরা যার যার দায়িত্ব ভালোভাবে করতে পারবো’। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচন নির্ভর করে জনগণের ওপর। জনগণ নির্বাচনমুখি হয়ে গেলে কোনোকিছু তাদেরকে বাধা দিয়ে রাখতে পারে না। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে আরেকটি ফ্যাক্টর হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো। তারা যখন নির্বাচনমুখি হয়ে যাবো; তখন আর কোনো সমস্যা থাকে না। আমার মনে হয়, তারা নির্বাচনমুখি হয়ে গেছে এবং অনেক দল ইতোমধ্যে তাদের প্রার্থিতা ঘোষণা করে ফেলেছে। তিনি বলেন, ‘পটুয়াখালীতে ৭ বা ৮ বছর আগে একবার এসেছিলাম। আজ থেকে ৬০ বা ৬৫ বছর আগে। সেই সময়ের কোনোকিছু আজ মনে নেই। আজকের পটুয়াখালী শহরটি দেখতে অনেক সুন্দর, এবং নিট অ্যান্ড ক্লিন। আমার কাছে শহরটি ভালো লেগেছে। এ সময় জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার জাহিদসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পটুয়াখালী পুলিশ লাইনস ও কোস্টগার্ড বেজ পরিদর্শন করেন। তিনি আরও বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন সম্পন্ন করতে যা যা প্রস্তুতি নেওয়ার আমরা তা নিয়েছি এবং প্রশিক্ষণ চলছে।