1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ বগুড়াতে বিএনপির বাহিরে অন্য প্রার্থীকে ভোট দিবেনা মানুষ-ভিপি সাইফুল মোহনপুরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের একদিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গাবতলীতে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ১০৮টির মধ্যে ৭০টি অবৈধ

৮ গ্রাহকের কাছে জনতা ব্যাংকের ২০৫২৬ কোটি টাকা ঋণ

  • সম্পাদনার সময় : সোমবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২১
  • ২২৯ বার প্রদশিত হয়েছে

ঢাকা : দেশের রাষ্ট্রয়াত্ত ৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে জনতা ব্যাংকের শাখা প্রায় এক হাজার। বিপুল সংখ্যক শাখা আর গ্রাহক নিয়ে বড় একটি ব্যবসায়ী প্লাটফর্মে পরিণত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে ঋণ বিতরণে ব্যাংকটির ‘একচোখা’ নীতিতে রীতিমতো হতাশ খাত সংশ্লিষ্টরা। চলতি বছরের জুন শেষে ব্যাংকটির মোট ঋণ দাঁড়িয়েছে ৬৩ হাজার ৪৩৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৮ গ্রাহকের কাছেই আছে ২০ হাজার ৫২৬ কোটি টাকা। যা মোট ঋণের ৩২ দশমিক ৩৫ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক পরিদর্শনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। তবে কোন ৮ গ্রাহকের কাছে এ ঋণ রয়েছে প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করা হয়নি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আরও ভয়াবহ তথ্য। প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যাংকটির বর্তমান শাখা রয়েছে ৯১৭টি। তবে মোট ঋণের ৭২ শতাংশ বিতরণ করা হয়েছে মাত্র ৫টি শাখা থেকে। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ৪৫ হাজার ৬৬২ কোটি। বিতরণকৃত এসব ঋণের মধ্যে ছয় হাজার ৬২৯ কোটি টাকা আবার খেলাপিও হয়েছে। আলোচিত শাখাগুলো হলো- লোকাল অফিস, জনতা ভবন করপোরেট, লালদীঘি ইস্ট, সাধারণ বীমা ও দিলকুশা করপোরেট শাখা। এসব শাখায় চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত শীর্ষ ২০ খেলাপিকে ৩৩ হাজার ২৫৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে। যার ৬ হাজার ৬২৯ কোটি টাকা খেলাপী। জানা গেছে, ব্যাংকটির লোকাল অফিসের ৯ গ্রাহককে ঋণ দেওয়া হয়েছে মোট ১০ হাজার ৯৫৭ কোটি টাকা। যার মধ্যে ৩ হাজার ২৩০ কোটি ৪০ লাখ টাকা খেলাপি ঋণ। জনতা ভবন কর্পোরেট শাখা ৪ গ্রাহককে ঋণ দিয়েছে ১১ হাজার ৫৭১ কোটি ৮১ লাখ টাকা, যার মধ্যে ৩ হাজার ৩৯৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা খেলাপি। এছাড়া লালদিঘী ইস্টে একজন গ্রাহক নিয়েছে এক হাজার ২২৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। সাধারণ বীমা শাখায় ৫ গ্রাহকের ৮ হাজার ২১০ কোটি এবং দিলকুশা কর্পোরেট শাখায় এক হাজার ২৮৯ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঋণ বিতরণে অনেকটা একচোখা নীতি অনুসরণ করছে জনতা ব্যাংক। এ কারণে তাদের বিতরণকৃত ঋণের সিংহভাগ মাত্র ৮ জন গ্রাহকের কাছে রয়েছে। এই ঋণ খেলাপী হতে পারে বলেও ধারনা করছেন কেউ কেউ। বিষয়টি নিয়ে শীর্ষ একজন ব্যাংক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিশেষ কারণে এসব গ্রাহককে ঋণ দেয়া হয়েছে। আমারতো মনে হয় না বিতরণকৃত ঋণের শতভাগ জনতা ব্যাংক আদায় করতে পারবে। একটা সময় বড় অংকের খেলাপীর কথা শুনলেও অবাক হবো না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুছ ছালাম আজাদকে ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এদিকে ঋণ বিতরণের এই নীতিকে ব্যাংকের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ব্যাংক ঋণ কয়েকটি শাখার মধ্যে কেন্দ্রীভূত হওয়া কোনোভাবেই ভালো খবর হতে পারে না। এই ধারা থেকে ব্যাংকগুলোকে বের হয়ে আসার অনুরোধ জানান তিনি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, বিতরণকৃত ঋণ বিশেষ ব্যবস্থায় আদায় করতে হবে। একই সাথে অন্যান্য শাখার মাধ্যমে ঋণ বিতরণ বাড়াতে হবে।শেয়ারবাজারনিউজ

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies