1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
প্রয়োজনে জীবন দেব, তবু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না-জামায়াত আমির সান্তাহারে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি যুব রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ হজরত শাহ মখদুম (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করলেন তারেক রহমান ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ বগুড়াতে বিএনপির বাহিরে অন্য প্রার্থীকে ভোট দিবেনা মানুষ-ভিপি সাইফুল

রাজশাহীতে বিলুপ্তপ্রায় পানি ফল

  • সম্পাদনার সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন, ২০২৫
  • ৯২ বার প্রদশিত হয়েছে

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহীতে একটি সময় পানি ফল চাষের সুদিন ছিলো। অনেকে পানি ফল চাষ করে জীবীকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু কালের বিবর্তনে সেই পানি ফল এখন বিলুপ্তপ্রায়। মৌসুমি পানি ফল স্থানীয় ভাষায় ‘পানি সিঙ্গারা’ নামে পরিচিত। এক দশক আগেও এই ফল চাষ করে কিছুটা হলেও অনেক প্রান্তিক চাষির পরিবারের মধ্যে সচ্ছলতা ফিরেছিল। এক সময় তানোর-বায়া, তানোর-আমনুরা, তানোর-চৌবাড়িয়া-সহ বিভিন্ন রাস্তার ধারে নয়নজুলির জলাবদ্ধ পানিতে ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকার খাসপুকুর-জলাশয়ে পানি ফলের গাছ দেখা যেতো। কিন্তু এসব রাস্তার ধারের নয়নজুলি ভরাট ও খাসপুকুর-জলাশয় ইজারা দেয়ায় সেখানে আর পানি ফল গাছের জন্ম হয় না।
জানা গেছে, রাজশাহীর তানোরে এক দশক আগেও কালীগঞ্জ, কামারগাঁ, বাতাসপুর, মান্দার বাঁকাপুর এলাকায় জলাবদ্ধ পতিত জমিতে শোভা পেতো পানি ফলের গাছ। প্রতিদিন ভোরে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা যাত্রীবাহী বাস, ভ্যানগাড়ি, ইজিবাইকের মাধ্যমে বস্তায় ভরে এই পানিফল বিক্রির জন্য উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যেতেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদ জানান, পানি ফল একটি বর্ষজীবী জলজ উদ্ভিদ। পানি ফলের পুষ্টিরমান অনেক বেশি। উপজেলার পতিত জমিতে এই পানি ফলের চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। পানি ফল চাষে কম খরচে বেশী লাভ হয়। প্রতি বছর বোরো ধান কাটার পর, জলাবদ্ধ পতিত জমি, পানি জমে থাকা ডোবাসহ খাল-বিলে এই ফলের লতা রোপণ করা হয় (জমে থাকা পানিতে)। তিনি বলেন, তিন থেকে সাড়ে তিন মাসের মধ্যে গাছে ফল আসে। এ ফল চাষে সার-কীটনাশকের তেমন প্রয়োজন হয় না। এদিকে তানোরের সীমান্তবর্তী মান্দার ভারশো ইউপির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পানি ফল চাষি বলেন, চৌবাড়িয়া-দেলুয়াবাড়ি রাস্তার ধারের নয়নজুলি ও আন্ধারসুরা-বিলউৎরাইল বিলে পানি ফল চাষ করতেন। কিন্তু নয়নজুলি ভরাট ও বিলগুলো মাছ চাষীদের কাছে ইজারা দেয়ায় তারা আর পানি ফল চাষ করতে পারছেন না। স্থানীয় সচেতন মহলের অভিমত, সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও আর্থিক সহযোগিতার পাশাপাশি পানি ফল উৎদানের উৎসগুলো আগের অবস্থায় ফেরানো সম্ভব হলে, এলাকার অনেক প্রান্তিক কৃষক পানিফল চাষের সুযোগ পাবেন। ফলে একদিকে নিজেরা যেমন স্বাবলম্বী হতে পারবেন, ঠিক তেমনই গ্রামীণ অর্থনীতিতেও অবদান রাখা সম্ভব হবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (এসএএও) বলেন, বর্তমানে পানিফল কৃষিতে নতুন এক সম্ভাবনাময় ফসল। আমাদের কৃষি বিভাগ সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে পানিফল চাষের বিস্তার ঘটাতে। যেকোনো পতিত পুকুর, ডোবা অথবা জলাশয়ে পানিফল চাষ করা সম্ভব। তুলনামূলক এর উৎপাদন খরচ কম।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies