বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা বলেছেন, ফ্যাসিস্ট মুক্ত স্বাধীন পরিবেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করছি। পহেলা বৈশাখ বাঙালি জীবনের ইতিহাস। ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় বিজাতীয় সংস্কৃতি মাধ্যমে বৈশাখ সংস্কৃতিকে ধ্বংস করা হয়েছিল। আবারো নতুন করে আমাদের সংস্কৃতি ইতিহাস, ঐতিহ্য তুলে ধরতে চাই। আমাদের দেশে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ খ্রিস্টানদের যে বন্ধন সেটিকে কাজে লাগিয়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই। গণতান্ত্র, আইনের শাসন, ভোটের অধিকার মানুষ ফিরে পাবে সেই বাংলাদেশ চাই। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে নেতাকর্মীদেরকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানানো হয়। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ১৪৩২ উপলক্ষে সোমবার বেলা ১২টায় আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে থেকে জেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে বর্ণিল বৈশাখী শোভাযাত্রা পূর্বে সমাবেশে একথা বলেন। বৈশাখী শোভাযাত্রা উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক এমপি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম, আলী আজগর তালুকদার হেনা, জয়নাল আবেদীন চান, বিএনপি নেতা ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এম আর ইসলাম স্বাধীন, হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, মাফতুন আহমেদ খান রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদ উন নবী সালাম, কেএম খায়রুল বাশার, যুগ্ম সম্পাদক শেখ তাহা উদ্দিন নাহিন, মনিরুজ্জামান মনি, বগুড়া জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলাম খাদেম, জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান, জেলা মৎস্যজিবি দলের আহবায়ক ময়নূল হক বকুল, জেলা মহিলা দলের ভারপ্রাপ্ক সভাপতি শাহাজাদী, সাধারণ সম্পাদক নাজমা আক্তার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সরকার মুকুল, সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম শুভ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকার, সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশ, শহর যুবদলের সভাপতি আহসান হাবীব মমি, সাধারণ সম্পাদক আদিল শাহরিয়ার গোর্কি, শহর ছাত্রদলের সভাপতি এস এম রাঙ্গা। বৈশাখী শোভাযাত্রায় পুরোনো ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে সেই পুরোনো দিনের বিয়ের একমাত্র বাহন পালকী, মালা-মালের বাহনকারী গরু ও ঘোড়া গাড়ী, লাঠি-খেলা,মাছধরা খলশানী,পলই, কৃষি কাজে ব্যবহিৃত লাঙ্গল-জোয়াল, পানি দেওয়া শিনি, তামাক সেবনের জন্য হুকা, ঝড়-বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষার জন্য মাতল, বাইস্কোপ, গান-বাজনার জন্য হারমুনিয়াম, বাঁশি,তবলাসহ নানা ধরনের আসবাবপত্র প্রদর্শন করা হয়। শোভাযাত্রাতে ব্যানার, ফেস্টুন ও প্লে কার্ডের মাধ্যমে বাঙালি ঐতিহ্য, ইতিহাস তুলে ধরেন।