1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ বগুড়াতে বিএনপির বাহিরে অন্য প্রার্থীকে ভোট দিবেনা মানুষ-ভিপি সাইফুল মোহনপুরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের একদিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গাবতলীতে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ১০৮টির মধ্যে ৭০টি অবৈধ

পাঁচবিবিতে খিরার বীজ সংকট: দিশেহারা কৃষক

  • সম্পাদনার সময় : মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৯৮ বার প্রদশিত হয়েছে

পাঁচবিবি জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ খিরার বীজ সংকটে দিশেহারা হয়ে পড়েছে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম অঞ্চলের বাগজানা, ধরঞ্জী ও আয়মারসুলপুর ইউনিয়নের কৃষকেরা। চলতি মৌসুমে কৃষকেরা আমন ধান কাটার পর জমিতে আলু রোপনের পাশাপাশি সাথী ফসল হিসাবে খিরার চাষাবাদ করে। কিন্তুু আলু লাগার পর খিরা রোপন করার জন্য বীজ ভান্ডার গুলোতে বীজ সংগ্রহ করতে গিয়ে বীজ না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। বীজ সংকট আর অস্বাভাবিক মূল্যের কারনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। উপজেলার ধরঞ্জী ইউনিয়নের ধরঞ্জী গ্রামের কৃষক আব্দুর রশিদ জানান, প্রতিবছর দুই বিঘা জমিতে আলু লাগানোর পাশাপাশি সাথী ফসল হিসাবে ঐ জমিতে খিরা চাষাবাদ করেন। এবারও খিরা লাগানোর লাইন (ডারা) বাদ দিয়ে আলু রোপন করেছেন। কিন্তুু বীজ সংগ্রহ করতে না পারায় এখনও খিরা রোপন করতে পারেন নি। তিনি বলেন, গত সপ্তাহে যে বীজ ২ হাজার থেকে তিন হাজার টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে সেই বীজ এখনও ৬ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকা। তারপর বীজ মেলানো যাচ্ছে না। একই গ্রামের কৃষক কমিন হোসেন বলেন, বিরামপুর, কাটলা ও ধামুইরহাট ঘুরেও বীজ পাওয়া যাচ্ছে না। বীজের এরকম সংকট হবে আগে জানতে পারলে আলুই লাগাতাম, খিরা লাগাতাম না। শ্রীমন্তপুর গ্রামের কৃষক বকুল হোসেন বলেন, বীজ ভান্ডারে ঘুরে ঘুরে বীজ না পেয়ে বাড়ীতে রাখা গত বারের রাখা বীজ রোপন করেছি। ফলন কেমন হবে জানি না। স্থানীয় বীজ ব্যবসায়ী আনছার আলী বলেন, মোকামেই বীজ পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা না পেলে কৃষকের নিকট বিক্রি করবো ঢ়ঘকি? জয়পুরহাট মুক্তি সীডসের স্বত্তাধিকারী মোনোয়ার হোসেন বলেন, প্রতিবছর পর্যাপ্ত পরিমাণ বীজের সাপ্লাই ছিলো। এবার অনেকটা কম। হাইব্রিড জাতের বিভিন্ন কোম্পানীর সংগ্রহ করে আনা হলেও দাম অনেক বেশি। আর তাছাড়া হাইব্রিড বীজ থেকে দেশিয় বীজের চাহিদা কৃষকদের।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies