1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিএনপির ৫১ দফা ইশতেহার: জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণের অঙ্গীকার দুর্নীতির সঙ্গে কোনো আপস করবে না বিএনপি এবার নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার সময়: তারেক রহমান সংবিধানে ‘আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন করা হবে: তারেক রহমান আমরা ন্যায় ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে চাই : শফিকুর রহমান বিএনপির ইশতেহারে বাংলাদেশে নতুন সূর্যোদয় হবে-মির্জা ফখরুল অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি: ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি বগুড়া-৬ সদর আসনে তারেক রহমানের ধানের শীষে ভোট চেয়ে সাবেক এমপি লালুর গণসংযোগ গাবতলীর দূর্গাহাটা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হান্নানের নামাজে জানাজা সম্পন্ন আমি জিয়া পরিবার ও কাহালু-নন্দীগ্রাম বাসীর ঋণ কোন দিন পরিশোধ করতে পারবো না-সাবেক এম পি মোশারফ হোসেন

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ড ছিল রহস্যজনক : মেজর হাফিজ

  • সম্পাদনার সময় : মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৭৯ বার প্রদশিত হয়েছে

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ড রহস্যজনক ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর অবসরপ্রাপ্ত হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে ২০০৯ সালে বিডিআর হত্যাকাণ্ড ঘটলেও এখনো ধোয়াশা রয়ে গেছে এটি নিয়ে। বিডিআর হত্যাকাণ্ড ছিল অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ ও অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার উদ্দেশে এই হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। মঙ্গলবার গুলশানের বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। মেজর হাফিজ বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নতুন করে বিচারের দাবি জানানো হয়েছে। কমিশন গঠন করতে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নতুন করে তদন্ত করার উদ্যোগ নেয়ায় তাকে ধন্যবাদ।পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে মেজর হাফিজ বলেন, দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর নৈতিক বল ভেঙ্গে ব্যর্থ রাষ্ট্র করতে এই হত্যাকাণ্ড। আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বসহ অনেকেই এ কাণ্ডে জড়িত। বিডিআর প্রধান শাকিল সেনাপ্রধানের কাছে সাহায্য চাইলেও পাঠায়নি সেনাবাহিনী। বিদ্রোহের কথা শুনলে বিদ্রোহ দমন করা সেনাকর্মকর্তার দায়িত্ব। সেনাবাহিনী হত্যাকাণ্ডের পরপরই সাজোয়া যানসহ মিলিটারি অ্যাকশনে যাওয়ার কথা থাকলে সেনাপ্রধান ৪৬ ব্রিগেড কমান্ডার করতে দেয়নি। সরকারপ্রধানের ভূমিকাও ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। সুবেদারকে বাহিনী প্রধান করার নজির পৃথিবীর ইতিহাসে নেই উল্লেখ করে মেজর হাফিজ বলেন, সরকারপ্রধান ও সরকারি দলের যোগসাজসেই বিডিআর হত্যাকাণ্ড হয়েছিল। হত্যাকাণ্ডের পর কয়েকটি কমিশন করলেও সেগুলোর কোনো কার্যক্রম দেখা যায়নি। সেনাবাহিনীর ইনকোয়ারির রিপোর্টটিও অন্ধকারে রয়ে গেছে। মেজর হাফিজ বলেন, আওয়ামী লীগের সরকার বিডিআর হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু পরিণতির কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। জেনারেল মঈনের কারো কাছ থেকে কোনো নির্দেশের প্রয়োজন ছিল না, তারপরও ব্যবস্থা নেননি। সেনাবাহিনীর মনোবল ধ্বংস করতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল। শেখ হাসিনা অফিসারদের নিয়ে বৈঠক করলে সেখানে হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করা ৫০ থেকৈ ৬০ জন অফিসারকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করা হয় বলে মন্তব্য করেন মেজর হাফিজ। তাদের সেনাবাহিনীতে পুনর্বহালের আহ্বান জানান তিনি। পুনতদন্ত সঠিকভাবে করতে বিএনপি সহযোগিতা করবে বলেও জানান তিনি। হাফিজ উদ্দীন আহমেদ বলেন, প্রতিবেশী দেশের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠান আওয়ামী লীগ। সেনাবাহিনীকে দলীয়করণ এমনভাবে করেছে যে- জেনারেলরা কথা বললে মনে হয়, যেন ছাত্রলীগের নেতারা বক্তব্য দিচ্ছে। সেনাবাহিনীকে ধ্বংস করার প্রাথমিক পদক্ষেপ বিডিআর হত্যাকাণ্ড। দেশের সার্বভৌমত্ব ধ্বংসে যেসব দল, দেশ ভূমিকা নিয়েছে তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies