1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বিশ্বের সব মুসলমানকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা: মানবজাতির জন্য কল্যাণ, ক্ষমা ও রহমত লাইলাতুল কদর তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ সোমবার খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ১২ সিটির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ঈদ উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী আদমদীঘিতে প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত আ’লীগের ইফতার মাহফিল পাবনায় গৃহবধূ ফাতেমা হত্যা মামলায় স্বামী রাকিবুলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সুখানপুকুর ইউনিয়ন পরিষদে দুঃস্থদের মাঝে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ নন্দীগ্রামে কোয়ালিটি ফিড’স লিঃ এর উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান বগুড়ায় সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ঘোড়াঘাটে দুস্থদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ সম্পূর্ণ

ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি: পাবনায় পেঁয়াজ বাজারে ধস

  • সম্পাদনার সময় : মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১৭১ বার প্রদশিত হয়েছে

পাবনা: পেঁয়াজ উৎপাদনের জেলা হিসেবে পরিচিত পাবনায় আবারও পেঁয়াজ বাজারে ধস নেমেছে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হওয়ার খবরে মণ প্রতি দাম কমেছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। মাত্র একদিনের ব্যবধানে পাইকারি হাটে পেঁয়াজের দাম কমায় হতাশ কৃষকরা। সরেজমিনে হাটে গিয়ে ব্যবসায়ী ও কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার (০২ এপ্রিল) সকালে পাবনা সদর উপজেলার হাজিরহাটে প্রতি মণ পেঁয়াজ পাইকারি বিক্রি হয় ১০০০ থেকে ১১০০ টাকায়। অথচ গতকাল সোমবার (০১ এপ্রিল) একই উপজেলার পুষ্পপাড়া হাটে প্রতি মণ পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৫০০ টাকা থেকে ১৬০০ টাকায়। আর খুচরা বাজারে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। দুই সপ্তাহ আগে পেঁয়াজের বাজারদর ছিল প্রতি মণ ২০০০ থেকে ২২০০ টাকা। তারও দুই সপ্তাহ আগে ছিল ২৮০০ থেকে ৩২০০ টাকা মণ। অর্থাৎ সে হিসেবে বলা যায় এক মাসের ব্যবধানে পাইকারি প্রতি মণ পেঁয়াজের দাম কমেছে প্রায় ২০০০ টাকা ! হাজিরহাটে পেঁয়াজ বিক্রি করতে আসা আটঘরিয়ার কৃষক আরিফুল ইসলাম বলেন, এক সপ্তাহ আগেও এই হাটে পেঁয়াজ বিক্রি করেছি ১৬০০ টাকা মণ। আর আজকে এসে দেখতিছি ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা মণ। ইডা কোনো কথা হইলো কন। আরেক কৃষক সদর উপজেলার মালঞ্চি এলাকার জাহের আলী বলেন, ১০০০ টাকা মণ দরে পিঁয়াজ বেচলি কিছু থাকতিছে না। লস হচ্ছে। খরচই পড়ে ১৫০০ টাকার উপরে। ২০০০ টেকা মণ বেচলি কিছু থাহে। ইন্ডিয়ার পিঁয়াজ আনার আর টাইম পাইলো লায়। যহনই কিষক ইট্টু পিঁয়াজের দাম পাবের লাগে, তহনই ইন্ডিয়ার পেঁয়াজ আমদানি করা লাগে কি জন্যি বুঝি না। পাইকারি ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলাম বলেন, আমাদের কি করার আছে কন। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হইছে। বাজারে পেঁয়াজ বেশি। এইজন্যি দাম কইমে গেছে। আবার কখন দাম বাড়বি ঠিক নাই। আর ইডা মনে হয় নিয়মই হয়া গ্যাছে। ভারত থেনে পেঁয়াজ আনলি দাম কমে, আর আনা বন্ধ করলি দাম বাড়ে। এদিকে, খুচরা বাজারে এখনও আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। মঙ্গলবার বিকেলে পাবনার বড় বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) মো. রোকনুজ্জামান বলেন, ‘সরকার মাঝে মধ্যে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে। এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু তার প্রভাব পাইকারি ও খুচরা বাজারে পরে। দাম কমে যায়। আবার অনেক সময় হাট বাজারে পেঁয়াজের আমদানিও বেড়ে যায়। এসব নানা কারণে পেঁয়াজের বাজার ওঠানামা করে। তবে কৃষক পেঁয়াজ সংরক্ষণ করতে পারলে ভাল দাম পাবে।’ পাবনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে হালি পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে ৫৩ হাজার ২৭৫ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies