1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাকিস্তানে ‘ভারতসমর্থিত’ ৪১ সন্ত্রাসী নিহত: আইএসপিআর জয়পুরহাটে আবারো কাটা তারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান আমরা বাংলাদেশের নেতৃত্ব যুবকদের হাতে তুলে দিতে চাই-লক্ষ্মীপুরে জামায়াত আমির ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি: তারেক রহমান বগুড়ার বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে জুম্মার নামজ আদায় করলেন তারেক রহমান যে যার অবস্থান থেকে প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান তারেক রহমানের বিএনপি সরকার গঠন করলে শুধু বগুড়া নয় সারাদেশে উন্নয়ন করা হবে- তারেক রহমান আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়নকাজ, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করব- তারেক রহমান প্রয়োজনে জীবন দেব, তবু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না-জামায়াত আমির

রাজশাহীতে নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছেনা

  • সম্পাদনার সময় : বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১১৬ বার প্রদশিত হয়েছে

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: বাসাবাড়িতে রান্নায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)। চলতি মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বেঁধে দেওয়া হয় ১ হাজার ৪৭৪ টাকা। কিন্তু তা ১ হাজার ৬০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের। প্রায় আড়াই বছর ধরে দাম নির্ধারণ করে দিলেও তা কার্যকর করতে পারছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তারা।
রাজশাহী মহানগরীর কাজলার খোরশেদ আলম জানান, মঙ্গলবার তিনি ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার কিনেছেন। বাসায় এনে দেওয়ার খরচসহ দাম নিয়েছে ১ হাজার ৬০০ টাকা। সরকার নির্ধারিত মূল্যতালিকা দেখানো হলেও কোনো লাভ হয়নি। তিনি বলেন, ‘এবারই প্রথম নয়, প্রতি মাসে বাড়তি দামেই সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে।’
ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ১২ কেজিতে এবার ৪১ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। আগের মাসে ১২ কেজিতে দাম ২৯ টাকা বেড়েছিল। গত ৪ ফেব্রুয়ারী বিইআরসি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এলপিজির নতুন দাম জানানো হয়। বিইআরসির সদস্য ইয়ামিন চৌধুরী নতুন দাম ঘোষণা করেন। ঘোষিত নতুন রোববার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে কার্যকর হয়। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য প্রতি ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৪৭৪ টাকা। জানুয়ারিতে দাম ছিল ১ হাজার ৪৩৩ টাকা। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে।
নির্ধারিত দামে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) এ মাসের জন্য গ্যাসের দাম নির্ধারণ করেছে। এ মাসে প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারে দাম বেড়েছে ৪১ টাকা। যা দাম হয়েছে ১ এক ৪৭৪ টাকা। রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে এ দাম কার্যকর করা হয়। কিন্তু এই দাম নির্ধারণের আগে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রেখেছিল বিক্রেতা। আবার অনেকের কাছে সিলিন্ডার থাকলেও বেশি দামেই বিক্রি করছিলেন।
খুচরা বিক্রেতা ও পরিবেশকদের ভাষ্য, গেল বৃহস্পতিবার থেকে রাজশাহীতে কোম্পানীগুলো গ্যাস সরবরাহ করা বন্ধ রেখেছিল। এ কারণে গ্যাসের সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু যাদের কাছে গ্যাস সিলিন্ডার ছিল তারা বাসা-বাড়িতে সরবরাহ করেছে। আবার কেউ কেউ অজুহাত দেখিয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি করেছে। রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দাম নির্ধারণের আগে নগরীর একটি দোকানে গ্যাসের দাম চাইতে তারা বলেন, ৫০ টাকা বাড়িয়ে বলেন। এখনও তো দাম নির্ধারণ হয়নি তাহলে এত বেশি কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, গ্যাস নাই। আর আমাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।
কয়েকজন ক্রেতা জানান, শনিবার থেকে গ্যাস সিলিন্ডার অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে। তারা আগের নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করেছে। নগরীর বালিয়াপুকুর এলাকার চাকরিজীবী রুমেল হোসেন বলেন, এর আগের মাসে বসুন্ধরার সিলিন্ডার নিয়েছিলাম ১ এক হাজার ৫০০ টাকায়। সোমবার আবার গ্যাস নিতে চাইলে বলা হয় ১ হাজার ৬০০ টাকা লাগবে। বাধ্য হয়ে সিলিন্ডার নিতে হলো।
একই অভিযোগ ঘোড়ামারা এলাকার তপনের। তিনি বলেন, গ্যাস না ছাড়া রান্না সম্ভব না তাই নেওয়া হয়। কিন্তু বিক্রেতারা ইচ্ছামতো দাম বাড়াচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে গ্যাস নিতে হচ্ছে। বুধবার নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কোম্পানিভেদে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে প্রতি সিলিন্ডার। এর মধ্যে বসুন্ধরার সিলিন্ডারের দাম ১৬৫০ টাকা, বেক্সিমকো ১৬৫০ টাকা, ওমেরা সিলিন্ডারের দাম ১৬০০ টাকা, যমুনা ১৬০০, লাফস ১৫৫০, পেট্রোম্যাক্স ১৫৫০ ও বিএম কোম্পানির সিলিন্ডার ১৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, ডিলার পয়েন্ট থেকে যে দামে সিলিন্ডার কিনতে হয়, তা সরকারি দামের চাইতে বেশি। ফলে তাদের পে ন্যায্য দামে বিক্রি করা সম্ভব হয়ে উঠছে না।
খুচরা বিক্রেতা শাহিনুর রহমান বলেন, কয়েকটা কোম্পানির এলপিজি সিলিন্ডার আমরা বিক্রি করে থাকি। সেসবের দামে কিছুটা পার্থক্য থাকে। কিন্তু সরকারি মূল্যে কেউ বিক্রি করে না। তাই আমাদেরও ন্যায্য দামে সিলিন্ডার বিক্রি করা সম্ভব হয় না।
আরেক ব্যবসায়ী পারভেজ আহমেদ বলেন, ক্রেতারা আমাদের জিজ্ঞেস করে যে দাম এত বেশি কেন? কিন্তু এখানে আমাদের তো কিছু করার নেই। আমরাও যখন ডিলার বা পাইকারদের জিজ্ঞেস করি যে সরকারি রেটে কেন দিচ্ছেন না, তখন তাদের ভাষ্য- নিলে নেন, না নিলে ভাগেন। এরপর আমাদের আর কিছু বলার থাকে না।
জানা গেছে, ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ১২ কেজিতে এবার ৪১ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। আগের মাসে ১২ কেজিতে দাম ২৯ টাকা বেড়েছিল। রোববার বিইআরসি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এলপিজির নতুন দাম জানানো হয়। বিইআরসির সদস্য ইয়ামিন চৌধুরী নতুন দাম ঘোষণা করেন। ঘোষিত নতুন রোববার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে কার্যকর হয়। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য প্রতি ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৪৭৪ টাকা। জানুয়ারিতে দাম ছিল ১ হাজার ৪৩৩ টাকা। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে।
গৌরহাঙ্গা এলাকার ওমেরা গ্যাসের পরিবেশক মেসার্স আনন্দ কুমার সাহার সত্বাধিকারী আনন্দ কুমার সাগা বলেন, প্রতিমাসে গ্যাসের দাম বাড়ে। সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকে ১২ কেজি গ্যাস সিলিন্ডারের। আমাদের এগুলো ট্রাক পাঠিয়ে ঢাকা থেকে নিয়ে আসতে হয়। নিয়ে আসার খরচও আছে। আর কোম্পানী যে কমিশন দেয় শুধু ঢাকা সিটির জন্য পোষাবে। কিন্তু আমাদের খরচ আরও বেশি। অল্প লাভে আমরা খুচরা বিক্রেতাদের কাছে সিলিন্ডার দেয়। তারা আবার বেশি দামে বিক্রি করে।
কাদিরগঞ্জ এলাকায় যমুনা ও লাফস কোম্পানির গ্যাসের পরিবেশক মেসার্স হালিমা এজেন্সির ব্যবস্থাপক আবদুর রহিম বলেন, তাদের প্রতি মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার গ্যাসের সিলিন্ডারের চাহিদা রয়েছে। দুই দিন পরপর একটি করে গাড়ি পাঠাতে হয় গ্যাসের চাহিদা মেটাতে। একটি ট্রাকে ৬১৬ টি সিলিন্ডার আসে। আমাদের প্রতি গ্যাস সিলিন্ডারে ৫ টাকা কমিশন পাওয়া যায়। এরপর আমরা খুচরা বিক্রেতাদের কাছে পাঠাই।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies