1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
তারেক রহমান ৭ ফেব্রুয়ারি উত্তরবঙ্গের ৩ জেলায় আচ্ছেন আশুলিয়ায় ৬ লাশ পোড়ানো: ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ১১৬ আসনে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব আসনে যাবে-ইসি সচিব বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মহাস্থান মাজার জামে মসজিদে বিশেষ দোয়া মাহফিল  ৫৪ বছরে বিভিন্ন দল ক্ষমতায় এসেছে, কিন্তু বাংলাদেশের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি-নওগাঁয় জামায়াত আমির ১৫ বছর পর সুষ্ঠু নির্বাচনের সুযোগ, জালিয়াতির আশঙ্কা নেই : মির্জা ফখরুল একুশে পদক পাচ্ছেন ৯ ব্যক্তি ও একটি সঙ্গীত দল বগুড়ায় মাদকবিরোধী কাবাডি টুর্নামেন্টে কাহালু উপজেলা চ্যাম্পিয়ন নতুন এমপিদের শপথ নিয়ে সাংবিধানিক ব্যাখ্যা দিলেন আইন উপদেষ্টা গোদাগাড়ীতে দুর্নীতিহীন, ন্যায়বিচারপন্থী ও উন্নয়নমুখী নতুন বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা ডা. শফিকুর রহমানের

সীমান্তে বিজিবি সদস্য হত্যাকান্ডের জাতিসংঘের তদন্ত চায় বিএনপি

  • সম্পাদনার সময় : শনিবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৯৮ বার প্রদশিত হয়েছে

বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) সদস্য সিপাহী মোহাম্মদ রইসুদ্দিনকে বিএসএফ কতৃর্ক নির্মমভাবে গুলি করে হত্যাকান্ডের জাতিসংঘের তদন্তের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। বিএনপি স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই দাবি জানানো হয় বলে শনিবার সকালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২১ জানুয়ার ২০২৪, ভোরে যশোর সীমান্তের ধান্যখোলা বিওপির জেলেপাড়া পোস্ট-সংলগ্ন এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) সদস্য সিপাহী মোহাম্মদ রইসুদ্দিনকে গুলি করে হত্যা করে। সারা পৃথিবীর মধ্যে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সবচেয়ে সহিংস ও রক্তস্নাত। ভারত কতৃর্ক বারবার প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে বাংলাদেশী নাগরিকদেরকে হত্যার ঘটনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিনিয়তই প্রাণহানীর সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে গণমাধ্যমে। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসাবে ৭ বছরে ২০১ জন বাংলাদেশী নাগরিক বিএসএফ এর গুলিতে নিহত হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটি মনে করে, সিপাহী মোহাম্মদ রইসুদ্দিনকে গুলি করে হত্যার পর বিএসএফ এর পক্ষ থেকে যা বলা হয়েছে তা অগ্রহণযোগ্য। বিএসএফ এর পক্ষ থেকে বলা হয় ‘তিনি (নিহত ব্যক্তি) বিজিবির সদস্য তা তারা বুঝতেই পারেনি, তিনি লুঙ্গী ও টিশার্ট পরে ছিলেন এবং পাচারকারী দলের সঙ্গে তাকে ভারতের সীমানার ভিতরে দেখা গিয়েছিল। একজন বিজিবি সদস্য কিভাবে লুঙ্গী আর টিশার্ট পরে পাচারকারী দলের সঙ্গে মিশে থাকতে পারেন সেটি তাদের বোধগম্য নয়। এই বয়ান শুধু বানোয়াটই নয়, ভারতীয় নীতি নির্ধারকদের ‘বিগ ব্রাদার’ সুলভ গরীমা থেকে উৎসাহিত হয়ে বিএসএফ তাদের হত্যাকান্ডের পক্ষে সাফাই গাইছে। একজন বিজিবি সদস্য কখনোই লুঙ্গী ও টিশার্ট পরে পাচারকারী দলের সঙ্গে থাকতে পারেন না।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিএসএফ এর মন্তব্যের সঙ্গে ভারতের মানবাধিকার সংগঠন ‘মাসুম’ও দ্বিমত পোষণ করেছে। বিএসএফ এর এহেন আচরণের ইতিহাস যুগপৎ হিংসাশ্রয়ী ও রক্তপাতের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। বরাবরই বিএসএফ এর কৃত অপরাধকর্ম এবং বয়ানের মধ্যে দুস্তর ব্যবধান থাকে। তাদের আচরণে মনে হয় তারা আদিম ও মধ্যযুগ পেরোতে পারেনি। মোহাম্মদ রইসুদ্দিনকে হত্যা করার পর তাদের মনগড়া বয়ানকে বাংলাদেশের মানুষ ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করেছে। এই মর্মস্পর্শী হত্যাকান্ড বাংলাদেশ জুড়েই ক্ষোভ ও বিক্ষোভে আলোড়িত। জ্বলে উঠেছে বাংলাদেশ। ভারতের উচ্চাকাঙ্খী নীতির কারণেই সীমান্তে রক্তপাত থামছে না। বিএসএফ বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকাকে ‘ব্লাড-স্পোর্ট’ বা রক্তক্ষয়ী খেলায় পরিণত করেছে। বাংলাদেশের মানুষকে নতজানু রাখার এটি একটি আধিপত্যবাদী বার্তা।

‘এতদিন ভারতীয় সীমান্তরক্ষীবাহিনী বিএসএফের হাতে সাধারণ বাংলাদেশী নিহত হয়েছে। আর এখন সীমান্তে বিজিবিরও নিরাপত্তা নেই। এক দেশের সীমান্তরক্ষীবাহিনীর হাতে আরেকটা স্বাধীন দেশের সীমান্তরক্ষীবাহিনী হত্যা কোনো সাধারণ ঘটনা নয়, বরং এটির সঙ্গে রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন জড়িত। এটি গভীর উদ্বেগের বিষয় যে, শেখ হাসিনার ক্ষমতা লোভের ফলশ্রুতিতে নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে বাংলাদেশকে আজ তাবেদার রাষ্ট্র বানানো হয়েছে। দখলদার আওয়ামী সরকার আজ দেশবিরোধী ঘৃণ্যচক্রান্তের ক্রীড়নক। সীমান্তরক্ষীবাহিনী বিজিবি-কেও এখন বেঘোরে প্রাণ দিতে হচ্ছে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটি মনে করে, বিএসএফ এর ‘ডেলিবারেট কিলিং’ এখন সর্বজনবিদিত। নিয়ন্ত্রণহীন এসব হত্যাকান্ডের আশকারা দেয়া দিল্লীর উগ্রতা আর ঢাকার নীরবতা। শেখ হাসিনা দিল্লীর সঙ্গে অধীনতামূলক চিরস্থায়ী ‘রাজনৈতিক বন্দোবস্ত’ এর ফলশ্রুতি হচ্ছে বিএসএফ কতৃর্ক সীমান্তে বাংলাদেশীদের হত্যার ঘটনায় নিশ্চুপ থাকা। মোহাম্মদ রইসুদ্দিনকে হত্যার ঘটনা পরের দিন পর্যন্ত জানতেই পারেননি বলে জানিয়েছেন ক্ষমতাবিলাসী বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। নাগরিকদের জীবনের চেয়ে দখলদার আওয়ামী মন্ত্রীদের ক্ষমতা খুব জরুরী। দেশবাসীকে পরাধীন রেখে ক্ষমতা ভোগ করাই আওয়ামী লীগের নীতি ও আদর্শ। স্বভূমির সীমানায় কাউকে শান্তিতে রাখেনি আওয়ামী সরকার। এখন তাদের বন্ধুপ্রতীম দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে দিয়ে বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক এবং সীমান্তরক্ষীদের প্রাণ সংহার করা হচ্ছে। ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ হলেও তাদের নীতি নির্ধারকদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গভীরতা অর্জিত হয়নি।

‘সেজন্যই বাংলাদেশ সীমান্তে বেআইনী হত্যাকান্ডে তারা কোন দায়বোধ করে না। ফেলানীসহ সকল হত্যাকান্ডে আন্তর্জাতিক মহল এমনকি ভারতের বেশকিছু মানবাধিকার সংগঠন প্রতিবাদ-উদ্বেগ-উৎকন্ঠা প্রকাশ করলেও ভারতীয় কতৃর্পক্ষ এর কোন বিচার বা প্রতিকার করেনি। কাঁটাতারে ঝুলন্ত ফেলানীর হৃদয়বিদারক লাশের দৃশ্য দেখে বাংলাদেশের মানুষের মনে এখনও ক্ষোভের আগুন জ্বলছে। বিএনপি এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়েছে। পাশাপাশি নিহত ব্যক্তির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies