1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ঈদের ছুটিতেও গুলশান বাসভবন থেকে সরকারি জরুরি কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী ইরানে লারিজানি-সোলেইমানিসহ নৌসেনাদের জানাজা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা নারী-শিশুসহ নিহত ৩, আহত ৯ ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে গাবতলীতে ঈদ সামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ বগুড়ায় বৃদ্ধা ফিরোজাকে হুইল চেয়ার দিলেন বিজয় বগুড়ায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ রাণীনগরে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের নগদ অর্থ ও শাড়ী-থ্রিপিস বিতরণ বগুড়ার দত্তবাড়ী হতে মাটিডালী পর্যন্ত দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন সোহেল বাঘায় বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত : শতাধিক যাত্রী আহত

রাজশাহী পলিটেকনিকে শিার্থীদের নিকট থেকে জোর করে চাঁদা আদায়

  • সম্পাদনার সময় : মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ১২৩ বার প্রদশিত হয়েছে

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের বিদায়ী শিার্থীদের ইন্টার্নশীপের টাকায় ভাগ বসাচ্ছে ছাত্রলীগ। বিদায় সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার নামে প্রায় এক হাজারের বেশি বিদায়ী শিার্থীদের কাছ থেকে জোর করে মাথাপিঁছু এক হাজার টাকা করে আদায় করছে পলিটেকনিক শাখা ছাত্রলীগ। এভাবে প্রায় ১০ লাখ টাকা আদায়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
পলিটেকনিক কর্তৃপ বলেছে, এই বিদায় সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার বিষয়ে তারা কিছু জানেন না। এর আগে কখনও বিদায়ী শিার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়নি। ছাত্রলীগও টাকা তোলা কিংবা অনুষ্ঠান আয়োজনের দায়িত্বে থাকেনি। এবার ছাত্রলীগের এ ধরনের কার্যক্রম দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির শিকেরাই। আর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাধারণ এক শিার্থী বলেছেন, এই টাকায় কোন অনুষ্ঠান হবে না। পলিটেকনিক ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাই টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করে নেবেন।
পলিটেকনিক সূত্রে জানা গেছে, আটটি বিভাগের অষ্টম পর্বের বিদায়ী শিার্থীদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং (ইন্টার্নশীপ) ভাতা ও জামানতের টাকা দেওয়া শুরু হয়েছে সোমবার থেকে। এরমধ্যে সোমবার সকালে সিভিল, দুপুরে পাওয়ার এবং বিকালে কম্পিউটার বিভাগের বিদায়ী শিার্থীদের টাকা দেওয়া হয়। মঙ্গলবার ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রোমেডিক্যাল এবং বুধবার মেকানিক্যাল, ইলেক্ট্রনিক্স ও মেকাট্রোনিক্স বিভাগের টাকা দেওয়ার কথা। এই আট বিভাগের প্রায় এক হাজারের বেশি শিার্থীর সবাই ইন্টার্নশীপের ১৩ হাজার ও জামানত রাখা ৪০০ টাকা করে ফেরত পাচ্ছেন। তবে তারা শেষ পর্যন্ত ১২ হাজার ২৫০ টাকা পাচ্ছেন।
দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সম্মেলন ক থেকে শিার্থীদের টাকা দেওয়া হচ্ছে। ১৩ হাজার ৪০০ টাকার ভেতর থেকে কোর্স সমাপনী সার্টিফিকেট বাবদ ৫০ টাকা কেটে নিচ্ছেন কর্মচারীরা। আর সম্মেলন করে ভেতরে বসেই মসজিদের উন্নয়নের জন্য ১০০ টাকা করে নিচ্ছেন মুয়াজ্জিন আব্দুল আলীম। সম্মেলন করে পাশেই চেয়ার-টেবিল পেতে বসে আছেন ছাত্রলীগের চার নেতাকর্মী। সম্মেলন ক থেকে বেরিয়ে আসা শিার্থীদের তারা নাম নিবন্ধন করতে বাধ্য করছেন বিদায় সংবর্ধনা নেওয়ার জন্য। ফরম পূরণ করে আদায় করা হচ্ছে মাথাপিঁছু এক হাজার টাকা। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পাঁচজন করে শিার্থীকে ভেতরে ঢোকাচ্ছেন। তারা টাকা নিয়ে বের হওয়ার পর ফরম পূরণ করিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
ফরম পূরণ করিয়ে কিসের টাকা নেওয়া হচ্ছে, এমন প্রশ্ন করতেই টাকা আদায়কারী এক ছাত্রলীগ কর্মী বললেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলতে হবে।’ এরপর তিনি নিয়ে গেলেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ জীহান ও সাধারণ সম্পাদক রানা হোসেনের কাছে। জীহান বললেন, ‘বিদায়ী শিার্থীরা আমাদের ধরেছে যেন বিদায় অনুষ্ঠানটা করে দিই। প্রত্যেকটা বিভাগের ক্যাপ্টেন আমাদের টাকা আদায় করার দায়িত্ব দিয়েছে। সে কারণে আমরা টাকা তুলছি। ২০ জানুয়ারি বা তার পরে অনুষ্ঠান হবে।’
তবে সাধারণ শিার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল ভিন্ন তথ্য। তারা জানান, বিদায় সংবর্ধনা আয়োজনের কথা তারা বলেননি। হঠাৎ ছাত্রলীগকে এভাবে টাকা নিতে দেখছেন তারা। পাওয়ার বিভাগের ক্যাপ্টেন নূর ইসলাম বলেন, ‘আমরা তো আগে কিছু জানতাম না। আজই দেখছি সংগঠনের (ছাত্রলীগ) ছেলেরা এভাবে টাকা আদায় করছে। কারা দায়িত্ব দিয়েছে জানি না।’
কথা বলার জন্য এ সময় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্য মুহম্মদ আব্দুর রশীদ মল্লিককে কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি। ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। উপাধ্য মোঃ রশিদুল আমীন বলেন, ‘আগে কখনও বিদায়ী শিার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়নি। এবার টাকা তোলা হচ্ছে দেখলাম। আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না।’
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের জন্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের নিবন্ধন ফরম (টাকা নেওয়ার রশিদ) ছাত্রলীগকে দেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে উপাধ্য বলেন, ‘এই ফরম আমরা দিইনি। কারা ছাপিয়েছে সেটাও জানি না। এ বিষয়ে অধ্যরে সঙ্গে কথা বললেই ভাল হয়।’

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies