1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়নকাজ, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করব- তারেক রহমান প্রয়োজনে জীবন দেব, তবু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না-জামায়াত আমির সান্তাহারে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি যুব রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ হজরত শাহ মখদুম (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করলেন তারেক রহমান ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ

যুদ্ধবিরতির পর গাজায় ত্রাণ নিয়ে ঢুকছে ট্রাক

  • সম্পাদনার সময় : শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৬১ বার প্রদশিত হয়েছে

ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি শুরুর পর অবরুদ্ধ গাজায় প্রবেশ করছে ত্রাণবাহী ট্রাক। এসব ট্রাকে জ্বালানি ও রান্না করার গ্যাসও রয়েছে। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে চার দিনের এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এতে মধ্যস্থতা করছে কাতার। এই যুদ্ধবিরতিতে হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে কিছু বন্দীবিনিময়ের কথা রয়েছে।

গত ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার ৪৮ দিন পর সাময়িক বিরতিতে সম্মত হলো দু’পক্ষ।

ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, জাতিসঙ্ঘের সাহায্য সংস্থাগুলোর এসব ত্রাণ মিসর থেকে রাফাহ সীমান্ত দিয়ে গাজায় প্রবেশ করেছে। ত্রাণবাহী ট্রাকগুলোর মধ্যে চারটি ট্রাকে জ্বালানি এবং চারটি ট্রাকে রান্না করার গ্যাস রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (টুইটার) ইসরাইলি সেনাবাহিনী আরো জানিয়েছে, জ্বালানিগুলো ইসরাইলি সরকার কর্তৃক অনুমোদন পাওয়ার পরই গাজায় প্রবেশ করেছে। এটা যুদ্ধবিরতি চুক্তির একটা অংশ।

রাফাহ থেকে আলজাজিরার প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ধারণা করা হচ্ছে আজ ২০০টি ত্রাণবাহী ট্রাক গাজায় প্রবেশ করবে।

গাজায় সবকিছু ভাঙ্গা
শাতি শরণার্থী ক্যাম্প থেকে বাস্তুচ্যুত হওয়া জাক হানিয়া নামক এক ফিলিস্তিনি জানিয়েছেন, ইসরাইলি হামলার কারণে গাজার সবকিছুই এখন ভাঙ্গা।

তিনি বলেন, ‘আমাদের ঘরবাড়ি ভাঙ্গা, আমাদের হৃদয় ভাঙ্গা, গাজার সবকিছুই এখন ভাঙ্গা। আমরা জানি না এর পর জীবন আর স্বাভাবিকভাবে চলতে পারবে কিনা।

যুদ্ধবিরতির তিন ঘণ্টার মতো সময় পর গাজার দক্ষিণাঞ্চল খান ইউনিস থেকে তিনি আলজাজিরার প্রতিনিধিকে এ কথাগুলো বলেছেন।

‘গাজার বাসিন্দারা এখনো আতঙ্কগ্রস্ত,’ বলেন তিনি।

হানিয়া বলেন, ‘আমি এখনো ‍গুলির শব্দ পাচ্ছি। আমার ধারণা এ শব্দ আসছে খান ইউনিসের পূর্ব সীমান্ত থেকে।’

এ যুদ্ধবিরতিতে আগের বাসস্থানে ফিরে যাবেন কিনা- এমন প্রশ্নে হানিয়া বলেন, ‘আমরা যেতে পারব না। কারণ ইসরাইলি বাহিনী বলেছে, কাউকে উত্তরে যেতে দেবে না। লোকজন ভয়ে ও দ্বিধায় আছে, সেখানে ফিরে যাবে কিনা।’

‘আমার মনে হয় সেখানে যাওয়া বিপজ্জনক হবে। কারণ তারা (ইসরাইলি সেনাবাহিনী) এখনো উত্তর ও দক্ষিণ গাজাকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। তাই আমরা এখনো কোনো বিষয়ে নিশ্চিত না,’ বলেন জাক হানিয়া।

সূত্র : আলজাজিরা

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies