মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী মহানগরীতে ১ হাজার ৩১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ১৪০ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় নগরীর বোয়ালিয়া থানার রামচন্দ্রপুর বাশার রোড এলাকা হতে একজনকে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ও সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় দামকুড়া থানার নতুন কসবা এলাকা হতে দুইজনকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন: মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাজু (২২), মোঃ রফিকুল ইসলাম (৪০) ও মোঃ স্বপন মন্ডল (৩৯)। রাশেদুল ইসলাম রাজশাহী মহানগরীর কাটাখালী থানার চরশ্যামপুর চরপাড়ার মোঃ মাজদার আলীর ছেলে, রফিকুল ইসলাম রাজশাহী জেলার মোহনপুর থানার বসন্তকেদার বিদিরপুরের মৃত রমজানের ছেলে ও স্বপন মন্ডল একই এলাকার মৃত আবুল কালাম আজাদের ছেলে।
অভিযান দুটি পরিচালনা করেন রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার কে এম আরিফুল হক পিপিএম-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ড. মোঃ রুহুল আমিন সরকারের দিকনির্দেশনায় সহকারী পুলিশ কমিশনার মোসাঃ আরজিনা খাতুনের নেতৃত্বে এসআই মোঃ রবিউল ইসলাম, এসআই কাজী জাকারিয়া তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স।
বুধবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোঃ জামিরুল ইসলাম।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারা যায় বোয়ালিয়া থানার রামচন্দ্রপুর বাশার রোড এলাকায় দুইজন ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করছে। এমন সংবাদেও ভিত্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সেখানে অভিযান চালিয়ে মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাজুকে গ্রেফতার করা হয়। অপর আসামি আবু হানিফ একটি শপিং ব্যাগ ফেলে পালিয়ে যায়। এসময় গ্রেফতারকৃত আসামি ও পলাতক আসামির ফেলে যাওয়া ব্যাগ তল্লাশি করে ৫০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার হয়। পরে জানা যায় পলাতক আসামি হানিফ একটি বিল্ডিংয়ের কেয়ারটেকার এবং সেই বিল্ডিংয়ের নীচ তলার একটি রুমে বসবাস করে। সেখান থেকে তারা দীর্ঘদিন যাবত ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটের ব্যবসা করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামির দেওয়া তথ্যমতে পলাতক আসামির বাসায় অভিযান পরিচালনা করে আরও ৮১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার হয়। এসময় নগদ ২০ হাজার ৬০০ টাকা জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, অপর দিকে সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় দামকুড়া থানার নতুন কসবা এলাকায় অঢিযান চালিয়ে মোঃ রফিকুল ইসলাম ও মোঃ স্বপন মন্ডলকে ১৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।
পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আরএমপি’র বোয়ালিয়া ও দামকুড়া থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।