1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
পাকিস্তানে ‘ভারতসমর্থিত’ ৪১ সন্ত্রাসী নিহত: আইএসপিআর জয়পুরহাটে আবারো কাটা তারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান আমরা বাংলাদেশের নেতৃত্ব যুবকদের হাতে তুলে দিতে চাই-লক্ষ্মীপুরে জামায়াত আমির ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি: তারেক রহমান বগুড়ার বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে জুম্মার নামজ আদায় করলেন তারেক রহমান যে যার অবস্থান থেকে প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান তারেক রহমানের বিএনপি সরকার গঠন করলে শুধু বগুড়া নয় সারাদেশে উন্নয়ন করা হবে- তারেক রহমান আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়নকাজ, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করব- তারেক রহমান প্রয়োজনে জীবন দেব, তবু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না-জামায়াত আমির

ল্যমাত্রা ছাড়িয়ে রোপা আমনের আবাদ ও কাটা-মাড়াইয়ে ব্যস্ত চাষীরা

  • সম্পাদনার সময় : রবিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৩৩ বার প্রদশিত হয়েছে

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহীতে এবার ল্যমাত্রার চেয়ে বেশি রোপা আমনের আবাদ হয়েছে। এতে উৎপাদন ল্যমাত্রা পূরণে প্রাকৃতিক দূর্যোগ তেমন বাঁধ সাধতে পারে নি। প্রত্যাশিত ফলনের প্রত্যাশা নিয়ে উৎসবমূখরভাবেই শুরু হয়েছে ধান কাটা-মাড়াই। বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষীরা।
রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, রাজশাহীর ৯টি উপজেলায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রোপা আমনের ল্যমাত্রা ছিলো ৮১ হাজার ৭৫৯ হেক্টর জমি। কিন্তু আবাদ হয়েছে ৮৩ হাজার ১৭৭ হেক্টর। যেখানে উৎপাদন ল্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯১ হাজার ৬২ মেট্রিক টন।
২০২২-২৩ অর্থবছরে রোপা আমনের আবাদের ল্যমাত্রা ছিলো ৮০ হাজার ৫০ হেক্টর। কিন্তু চাষ হয়েছিলো ৮০ হাজার ৮৩২ হেক্টর। যেখানে উৎপাদন ছিলো ২ লাখ ৮৬ হাজার ১৪৫ মেট্রিক টন। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও আবাদের সঙ্গে সঙ্গে উৎপাদন ল্যমাত্রাও ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করছে কৃষি বিভাগ।
রাজশাহীর উপজেলাগুলো ঘুরে দেখা যায়, উৎসবমূখর পরিবেশে ধান কাটা মাড়াই চলছে। রোপা আমন ঘরে তুলতে গেরস্থ বাড়ির উঠনে চলছে ব্যস্ততা। কেউ বা নিচ্ছেন প্রস্তুতি।
কৃষকদের ভাষ্য, এবার রোপা আমন চাষে তেমন বেগ পেতে হয়নি। কয়েকটি উপজেলায় কয়েকদিন ধান পানির নিচে থাকায় ডুবে থাকা জমির ধানের ফলন কম হয়েছে। তবে অন্য জমির ধান খুবই ভালো হয়েছে। পোকা-মাকড়ের আক্রমণও কম ছিল। ফসল নষ্টকারী ইঁদুরের আক্রমণ ছিল শঙ্কার চেয়ে কম। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত অনুকূল আবহাওয়া পাওয়া গেছে।
চাষীরা বলছেন, ফলন বেশি হলে দাম কমে যায়। এটা কৃষকদের জন্য দূর্ভোগের। তবে এবার প্রথম থেকেই ধানের দাম ভালো পাচ্ছেন। আশা করছেন, সামনে ধানের বাজার খুব একটা কমবে না।
গোদাগাড়ী উপজেলার কৃষক আশিকুর রহমান বলেন, আমার েেতর ধান খুবই ভালো হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই ধান কাটবো। প্রায় আড়াই বিঘা জমিতে আবাদ করেছিলাম। এখন পর্যন্ত ধানের কোন য়তি হয় নি। প্রতি বিঘায় ২২ মণের উপরে ফলন হবে বলে আশা করছি।
পবা উপজেলার কৃষক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ধান ভালো ছিলো। কিন্তু মধ্যে হঠাৎ বন্যায় ধান ডুবে ছিলো। এ কারণে ধানের চেয়ে চিটা বেশি হয়েছে। ফলন কম হয়েছে। তবে ধানের দাম ভালো আছে। তিটা দামে পুষিয়ে যাবে বলে আশা করছি।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ মোজদার হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত রোপ আমন ৭ থেকে ১০ শতাংশ টাকা হয়েছে। চাষাবাদের ল্যমাত্রার চেয়ে এবার রোপা আমন চাষ বেশি হয়েছে। হঠাৎ বন্যায় কিছু কৃষকের ফলন কম হতে পারে। তবে সে সংখ্যাটা খুবই নগণ্য। এবার ল্যমাত্রা ছাড়িয়ে আবাদ হয়েছে। ল্যমাত্রা ছাড়িয়ে এবারও উৎপাদন হবে বলে জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies