1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
পাকিস্তানে ‘ভারতসমর্থিত’ ৪১ সন্ত্রাসী নিহত: আইএসপিআর জয়পুরহাটে আবারো কাটা তারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান আমরা বাংলাদেশের নেতৃত্ব যুবকদের হাতে তুলে দিতে চাই-লক্ষ্মীপুরে জামায়াত আমির ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি: তারেক রহমান বগুড়ার বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে জুম্মার নামজ আদায় করলেন তারেক রহমান যে যার অবস্থান থেকে প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান তারেক রহমানের বিএনপি সরকার গঠন করলে শুধু বগুড়া নয় সারাদেশে উন্নয়ন করা হবে- তারেক রহমান আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়নকাজ, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করব- তারেক রহমান প্রয়োজনে জীবন দেব, তবু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না-জামায়াত আমির

২ বছরে রাজশাহীর বাতাসে ধূলিকণা বেড়েছে দেড়গুণ

  • সম্পাদনার সময় : রবিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৩২ বার প্রদশিত হয়েছে

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী নগরীর বাতাসে বাড়ছে ধূলিকণা। গত দুবছরে বাতাসে ধূলিকণা বেড়েছে প্রায় দেড়গুণ। ফলে নির্মল বায়ুর শহর হিসেবে পরিচিত রাজশাহীতে দূষণের মাত্রা বেড়েই চলছে। সম্প্রতি জেলার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গবেষণা বলছে, রাজশাহীর বাতাসে দূষণের পরিমাণ ফের বেড়েছে।
জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) উপাত্তের ভিত্তিতে ২০১৬ সালে যুক্তরাজ্যের দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকায় এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজশাহীর বাতাসে ভাসমান দ্র ধূলিকণা (১০ মাইক্রোমিটার আকারের) প্রতি ঘনমিটার বাতাসে ছিল ১৯৫ মাইক্রোগ্রাম। এটা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কমে ২০১৬ সালে দাঁড়ায় ৬৩ দশমিক ৯ মাইক্রোগ্রামে।
দুবছর আগে এ শহরে আরও ুদ্র ধূলিকণা (২ দশমিক ৫ মাইক্রোমিটার আকারের) প্রতি ঘনমিটার বাতাসে ছিল ৭০ মাইক্রোগ্রাম। ২০১৬ সালে এটি প্রায় অর্ধেক হয়ে দাঁড়ায় ৩৭ মাইক্রোগ্রাম।
রাজশাহীর বরেন্দ্র পরিবেশ উন্নয়ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প থেকে নগরের পাঁচটি স্থানে বাতাসে ভাসমান মানবদেহের জন্য তিকর কণার পরিমাণ নির্ণয় করা হয়। সংস্থাটি সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ পরীা চালায়। পরে বিকেলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পরীার ফলাফল জানানো হয়।
সংগঠনটি নগরের তালাইমারী মোড়, এ এইচ এম কামারুজ্জামান চত্বর, সাহেববাজার জিরো পয়েন্ট, লক্ষ্মীপুর মোড় ও বিসিক মঠপুকুর এলাকায় পরীা চালায়। প্রতিটি স্থানে পরীা চালানো হয় আধাঘণ্টা করে।
বাতাসে ভাসমান ুদ্র ধূলিকণা (১০ মাইক্রোমিটার আকারের) প্রতি ঘনমিটার বাতাসে ১৫০ মাইক্রোগ্রাম এবং আরও ুদ্র ধূলিকণা (২ দশমিক ৫ মাইক্রোমিটার আকারের) প্রতি ঘনমিটার বাতাসে ৬৫ মাইক্রোগ্রাম পর্যন্ত স্বাভাবিক ধরা হয়। সেখানে তালাইমারী মোড়ে ১০ মাইক্রোমিটার আকারের কণা প্রতি ঘনমিটার বাতাসে পাওয়া গেছে ২৪৬ মাইক্রোগ্রাম। একই স্থানে ২ দশমিক ৫ মাইক্রোমিটার আকারের কণা প্রতি ঘনমিটার বাতাসে পাওয়া গেছে ৯৭ মাইক্রোগ্রাম।
এ এইচ এম কামারুজ্জামান চত্বরে এ পরিমাণ যথাক্রমে ২৩১ ও ৯৩ মাইক্রোগ্রাম, সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে ২২৫ ও ৮৮ মাইক্রোগ্রাম, লক্ষ্মীপুর মোড়ে ২২৯ ও ৯৪ মাইক্রোগ্রাম, বিসিক এলাকায় ২২২ ও ৭৬ মাইক্রোগ্রাম।
এর আগে চলতি বছর ৫ এপ্রিল ওই পাঁচ স্থানে পরীা চালানো হয়। তখন পরীায় তালাইমারী মোড়ে ১০ মাইক্রোমিটার আকারের কণা প্রতি ঘনমিটার বাতাসে ছিল ১২৭ মাইক্রোগ্রাম। ২ দশমিক ৫ মাইক্রোমিটার আকারের কণা প্রতি ঘনমিটার বাতাসে ছিল ৪৫ মাইক্রোগ্রাম। এ এইচ এম কামারুজ্জামান চত্বরে এ পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১১৪ ও ৮৪ মাইক্রোগ্রাম, সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে ৯৪ ও ৬৬ মাইক্রোগ্রাম, লক্ষ্মীপুর মোড়ে ১১০ ও ৮০ মাইক্রোগ্রাম, বিসিক মঠপুকুর এলাকায় ৯৬ ও ৬৮ মাইক্রোগ্রাম।
রাজশাহীর বরেন্দ্র পরিবেশ উন্নয়ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পে পরীায় নেতৃত্ব দেন পিএইচডি গবেষক ও সংস্থাটির কোষাধ্য অলি আহমেদ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রকৌশলী ও সংস্থার সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ওবায়দুল্লাহ, সদস্য শামসুর রাহমান।
সংস্থাটির সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন বলেন, সব স্থানেই বায়ুর মান তুলনামূলক খারাপ পাওয়া গেছে। এ ধরনের বায়ু মানুষের ফুসফুসের জন্য তিকর। রাজশাহী শহরে অনেক নির্মাণকাজ চলছে বর্তমানে। এ কারণেও দূষণটা একটু বেশি। আমাদের পরীায় গত দুবছরে প্রায় দেড়গুণ বেশি বায়ু দূষণ ধরা পড়েছে। আমাদের এখনই সচেতন না হলে এটি আরও বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, নির্মাণকাজ পরিচালনার জন্য কতগুলো নিয়ম বেঁধে দেওয়া আছে। সেগুলো মেনে চললে বায়ু দূষণটা কমানো যেত। নির্মাণকাজে ব্যবহৃত উপাদান ঢেকে রাখা, নির্দিষ্ট সময় পরপর পানি ছিটিয়ে দেওয়া, নির্মাণসামগ্রী বহনের সময় ভালোভাবে ঢেকে নিতে হবে। কিন্তু এগুলো মানা হচ্ছে না। এছাড়া আগের তুলনায় রাজশাহীতে বড় গাছের সংখ্যা কমেছে। গাছ বেশি বেশি লাগাতে হবে।
এ বিষয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নুর ইসলাম বলেন, এমন কোনো পরীার কথা আমার জানা নেই। তারা যদি এমন পরীার ফলাফল পেয়ে থাকে তবে আমাদের কাছে পাঠাক। আমরা তো আইন মানার জন্য ঠিকাদারদের বলি। এরপরও অনেক সড়কে আমরা বালু দেখতে পাই। বিষয়টি নিয়ে কাজ করবো।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies