1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাকিস্তানে ‘ভারতসমর্থিত’ ৪১ সন্ত্রাসী নিহত: আইএসপিআর জয়পুরহাটে আবারো কাটা তারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান আমরা বাংলাদেশের নেতৃত্ব যুবকদের হাতে তুলে দিতে চাই-লক্ষ্মীপুরে জামায়াত আমির ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি: তারেক রহমান বগুড়ার বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে জুম্মার নামজ আদায় করলেন তারেক রহমান যে যার অবস্থান থেকে প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান তারেক রহমানের বিএনপি সরকার গঠন করলে শুধু বগুড়া নয় সারাদেশে উন্নয়ন করা হবে- তারেক রহমান আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়নকাজ, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করব- তারেক রহমান প্রয়োজনে জীবন দেব, তবু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না-জামায়াত আমির

রামেক হাসপাতাল কর্মচারীদের জানোয়ার বলে ওয়ার্ড মাস্টার রাসেলের পোষ্ট, বাড়ছে ক্ষোভ

  • সম্পাদনার সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৩
  • ২২০ বার প্রদশিত হয়েছে

রাতুল সরকার, রাজশাহী: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল আলী তার ফেসবুক আইডিতে কর্মচারীদের অশ্লিল ভাষায় গালি দিয়ে করা একটি পোষ্টকে কেন্দ্র করে কর্মচারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও অস্থিরতা বিরাজ করছে। কর্মচারীদের অশ্লিল ভাষায় গালি দিয়ে পোষ্ট করায় রামেক হাসপাতালের কর্মচারীরা ফুঁসে উঠছে। একই সাথে ওয়ার্ড মাস্টার রাসেলের বিচার দাবিতে সোচ্ছার হয়ে উঠছে কর্মচারীরা।
অশ্লিল ভাষায় গালি দেয়ার বিষয়টি জানতে পরে রামেক হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা রাসেল আরীর বিরুদ্ধে বুধবার পরিচালক বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন। এ অভিযোগের প্রেেিত ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল আলীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নোটিশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রামেক হাসপাতালের পরিচালক।
জানা গেছে, রামেক হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল আলীর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে গঠন করা তদন্ত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনের প্রেেিত তার দুটি ইক্রিমেন্ট বাতিলসহ তাকে সতর্ক করা হয়। অভিযোগ ছিল, ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল আলী কারণে অকাণে রামেক হাসপাতালের দৈনিক মজুরী ভিত্তিক কর্মচারীদের বাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে নতুন লোক নিয়োগ দেয়া, কর্মচারীদের কাছ থেকে মাসিক, সাপ্তাহিক চাঁদা তোলা ও হাসপাতালে কর্মরত এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে হুমকি দেয়ার অভিযোগ। হুমকি, অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল আলীর বিরুদ্ধে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়।
এর প্রেেিত রামেক হাসপাতালের সাবেক পরিচালক তার বিরুদ্ধে ৪ সদস্য বিশিষ্ঠ তদন্ত কমিটি গঠন করেন। যদিও সাবেক পরিচালক শামীম ইয়াজদানি দায়িত্বে থাকাকালীন সময় সেই তদন্ত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদক আলোর মুখ দেখেনি। বর্তমান পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহাম্মদ দায়িত্ব নেয়ার পর রাসেলের বিরুদ্ধে গঠন করা তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য নিদের্শ দেন। এরই প্রেেিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা পুনরায় তদন্ত করে রাসেল আলীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। গত ২ আগষ্ট তদন্ত কমিটির সুপারিশে তাকে ও অপর একজনকে শুধু সতর্ক করে রামেক হাসপাতাল কর্তৃপ। আউট সোর্সিয়ের দুজনকে চাকরিচ্যুত করা হয়।
সূত্র মতে, তদন্ত কমিটির সদস্যরা রাসেল আলীর ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি, বিভিন্ন ওযুহাতে কর্মচারীদের বাদ দেয়া, আবার টাকার বিনিময়ে নতুন কর্মচারী নিয়োগ দেয়ার বিষয়ে সত্যতা পান। এরই প্রেেিত তদন্ত কমিটি রাসেল আলীকে দূরবর্তীস্থানে বদলী ও তার দুটি ইনক্রিমেন্ট বাতিলের সুপারিশ করেন। কিন্তু ওই তদন্ত কমিটির সদস্যদের মধ্যেই ছিল রাসেল আলীর লোক। তদন্ত কমিটির লোকের মাধ্যমে শাস্তির বিষয়টি জানতে পেরে রাসেল আলী সাবেক পরিচালকের সাথে যোগাযোগ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে তিনি বদলী ঠেকান। বদলী ঠেকালেও তিনি ইনক্রিমেন্ট কর্তন ঠেকাতে পারেননি। দুর্নীতির বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার পর বর্তমান পরিচালক রাসেল আলীকে সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন।
রামেক হাসপাতালের সূত্র মতে, দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর থেকে রাসেল আলী হয়ে উঠেন বেপরোয়া। তিনি যেসব কর্মচারী নিয়োগ করেছেন তাদের তিনি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা অব্যাহত রাখেছেন। একই সাথে কর্মচারীদের মধ্যে বিভেদ তৈরিতেও তিনি কাজ করছেন এমন অভিযোগ কর্মচারীদের।
অপরদিকে গত ২২ সেপ্টেম্বর রাসেল আলী তার ফেসবুক আইডিতে লিখেন, রামেক হাসপাতালে কিছু জানোয়ারের বাচ্চার জন্ম হয়েছে, যারা বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে আমাকে হেনস্তা করে যাচ্ছে। কখনো ফেইক ফেসবুক আইডি খুলে, কখনো মাস্তান দিয়ে, কখনো বা লোকাল পত্রিকা বা অনলাইন নিউজ মিথ্যা তথ্য দিয়ে দীর্ঘদিন থেকে হেনস্তা করে যাচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।
ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল আলী তার ফেসবুক আইডিতে এ পোস্ট করার পর ১২টি কমেন্ট পড়েছে। এরমধ্যে ‘নীল খাম’ নামে একটি আইডি থেকে রাসেল আলীকে উদ্দেশ্য করে কমেন্ট করা হয়েছে, স্যার, ঠিক বলেছেন, তবে এদের বাবা হলো দুজন, ১. ছোট ভাই। ২. বড় ভাই। এদের দুই ভাইয়ের বীর্যে এদের জন্ম, স্যার।
‘আশরাফুল ইসলাম’ নামে আইডি থেকে কমেন্ট করা হয়েছে, স্যার নিরাশ হবেন না। এদের বিচার করার মতো কেউ নেই। আশা করি আল্লাহ একদিন এদের বিচার করবেন ইনশাআল্লাহ।
এদিকে ওয়ার্ড মাস্টার রাসেলের পোষ্টের বিষয়টি রামেক হাসপাতালের কর্মচারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে তাদের মধ্যে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। যার প্রেেিত তৃতীয় শ্রেণি ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা বিষয়টি দেখার জন্য পরিচালককে অভিযোগ দিয়েছেন। এছাড়াও রাসেল আলী মতা হারিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে বিভেদ সুষ্টিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলেও পরিচালকের কাছে নালিশ করা হয়েছে।
এব্যাপারে রামেক হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এব্যাপারে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফএম শামীম আহাম্মদ বলেন, বিষয়টি আমি জানি। এ ব্যাপারে কর্মচারীরা আমার কাছে অভিযোগ করেছেন। আমি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছি। ইতিমধ্যে রাসেলের বিরুদ্ধে নোটিশ করা হয়েছে। কেনো হাসপাতালের কর্মচারীদের তিনি জানোয়ার বলে আখ্যা দিলেন সে ব্যাপারে প্রয়োজনে ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল আলীর বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies