1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাকিস্তানে ‘ভারতসমর্থিত’ ৪১ সন্ত্রাসী নিহত: আইএসপিআর জয়পুরহাটে আবারো কাটা তারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান আমরা বাংলাদেশের নেতৃত্ব যুবকদের হাতে তুলে দিতে চাই-লক্ষ্মীপুরে জামায়াত আমির ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি: তারেক রহমান বগুড়ার বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে জুম্মার নামজ আদায় করলেন তারেক রহমান যে যার অবস্থান থেকে প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান তারেক রহমানের বিএনপি সরকার গঠন করলে শুধু বগুড়া নয় সারাদেশে উন্নয়ন করা হবে- তারেক রহমান আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়নকাজ, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করব- তারেক রহমান প্রয়োজনে জীবন দেব, তবু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না-জামায়াত আমির

দালাল ছাড়া কাজ হয় না রাজশাহী বিআরটিএ অফিসে

  • সম্পাদনার সময় : বুধবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৭০ বার প্রদশিত হয়েছে

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: সোহানার রহমান। বাড়ি রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায়। প্রায় তিন বছর আগে রাজশাহী বিআরটিএ কার্যালয়ে ড্রাইভিংয়ের জন্য পরীা দিয়েছেন। পরীায় পাশ করার পরে লাইসেন্সের জন্য ফিও জমা দিয়েছেন ওই সময়। কিন্তু এখনো লাইসেন্স কার্ড হাতে পাননি। কবে পাবেন তাও ঠিক বলতে পারছেন না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে কেউ। রবিবার কার্ড নিতে এসে আবার ঘুরে যান সোহানার রহমান। তিনি এসময় ােভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি চার জোড়া স্যান্ডেল খুয়েছি ড্রাইভিংয়ের জন্য। বার বার পরীা দেয়, আর বার বার ফেল করায়। এভাবে ঘুরতে ঘুরতে যখন হচ্ছিলো না, তখন এক আপাকে ধরেছিলাম। শেষে পরীায় পাশ করে কার্ডের জন্য টাকা জমা দিয়েছি তিন বছর হতে গেলো। আজ খোঁজ নিতে এসেছিলাম কার্ড এসেছে কি না। কার্ড আসেনি। কার্ড না হওয়ায় আবারও নতুন তারিখ বসিয়ে দিলো।’ একই অবস্থা ছিল দুর্গাপুরের রবিউল ইসলামের। গত ২০১৯ সালে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। এক দালালকে ধরে অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা দিয়ে ড্রাইভিং পরীা দিয়েছিলেন তিনি। তার পরেও তাঁর ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড আসছিল না। শেষে রবিবার দীর্ঘ প্রায় ৪ বছর পরে কার্ড হাতে পেয়েছেন তিনি। রবিউল ােভ প্রকাশ করে বলেন, ‘যারা দালাল ধরেছে, তাদের এত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে না। আমি পদে পদে হয়রানির শিকার হয়েছি। এ যাবৎভর বিআরটি অফিসে অন্তত এক’শ বার এ্যাসেছি। অবশেষে দুই জায়গায় টাকা দেওয়ার পরে কার্ড পেলাম।’ পবা উপজেলার জাফর আলী বলেন, ‘দালাল ধরেছি। কয়েক দফা কার্ডের খবর নিতে এসেছি এই বিআরটিতে। আজও এসে দেখি কার্ড হয়নি। দালালও ফোন ধরে না।’ পুঠিয়া উপজেলার আরঙ্গো আলী বলেন, ‘আমি হালকা যানের ড্রাইভিং করার জন্য নওদাপাড়া বাস স্ট্যান্ডের এক ভাইকে ধরেছি। তিনি আমার কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা নিয়েছেন। কিন্তু এখনো লাইসেন্স হাতে পাইনি।’ স্থানীয় এক ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘এই অফিসে দালালমুক্ত সাইনবোর্ড থাকলেও দালাল ছাড়া কোনো কাজ হয় না। এখানে সব থেকে পাওয়ারফুল (শক্তিশালী) ব্যক্তি হলো পিয়ন আলী হোসেন। তাঁকে ম্যানেজ করতে পারলেই সবকাজ হয়ে যায়। আলীর নিযুক্ত অন্তত ৫০ জন দালাল আছে। ওই দালালরা নিয়ন্ত্রণ করে গোটা বিআরটিএ। আর নেতৃত্ব দেয় আলী। একেকটা ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ৫-১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়। এই টাকার ভাগ যায় কর্মকর্তার পকেটেও। প্রতিদিন দুপুরে এই কার্যালয়ে রান্নাও হয় সেই টাকার ভাগ থেকে। সেই রান্না করা খাবার খান সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী। বাগমারা উপজেলার শরিফুল ইসলাম নামের একজন বলেন, ‘এখানে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে যদি চান, তাহলে তাহলে দালাল ধরে টাকা দিতে হবে। তবেই লাইসেন্স পাবেন আপনি। তাছাড়া আপনার কাগজই জমা নিবে না। নানা অজুহাতে কাগজ বাতিল করে দিবে এরা।’ তানোরের মন্ডুমালা এলাকার মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ড্রাইভিং লাইসেন্সর আবেদন করার পরে পরীায় অংশগ্রহণ করি। পরে রেজাল্ট এ দেখি আমি ফেল। অথচ আমার দেখে যে পরীা দিয়েছে সে পাশ করেছে। পরে আমি তার পরামর্শে এই অফিসের এক পিয়নের দালালকে টাকা দিয়ে পাশ করি। এখানে টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয় না। টাকা দিলে পাশ, না হলে ফেল। টাকা দিলে পলীায় অংশ নিলেই পাশ হয়। না দিলে যতবার পরীা দিবেন, ততবার ফেল করবেন।’ একটি সূত্র জানায়, রাজশাহী বিআরটিএ কার্যালয়ের সকল কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ অফিস পিয়ন আলী হোসেন। তাই আলীকে ছাড়া এখানে কোনো কাজ হয় না। আলীকে টাকা দিলে সব কাজ হয়। আলীর নিযুক্ত দালাল আছে এখানে অন্তত ৫০ জন। ওই দালালরা নিয়ন্ত্রণ করে গোটা বিআরটিএ।’ তবে এসব বিষয়ে জানতে চাইলে আলী হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এমন অভিযোগ ঠিক না। আমাকে কেউ টাকা দেয় বলতে পারবে না। আমার নামে মিথ্যা অপবাদ ছড়ানো হচ্ছে। জানতে চাইলে রাজশাহী বিআরটিএ কার্যালয়ের মোটরযান পরিদর্শক শরফুদ্দিন বলেন, ‘কোনো অনিয়ম এখানে হয় না। কাগজ ঠিক থাকলেই ড্রাইভিং লাইসেন্স হয়।’ সহকারী পরিচালক আব্দুল খালেক বলেন, ‘পরীা সঠিকভাবে নিয়েই এখানে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া হয়। কেউ বাইরে টাকা দিলে আমাদের কিছু করার নাই। কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies