1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান আমরা বাংলাদেশের নেতৃত্ব যুবকদের হাতে তুলে দিতে চাই-লক্ষ্মীপুরে জামায়াত আমির ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি: তারেক রহমান বগুড়ার বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে জুম্মার নামজ আদায় করলেন তারেক রহমান যে যার অবস্থান থেকে প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান তারেক রহমানের বিএনপি সরকার গঠন করলে শুধু বগুড়া নয় সারাদেশে উন্নয়ন করা হবে- তারেক রহমান আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়নকাজ, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করব- তারেক রহমান প্রয়োজনে জীবন দেব, তবু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না-জামায়াত আমির সান্তাহারে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি যুব রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ হজরত শাহ মখদুম (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

হাটে গরু বেশি, ক্রেতা কম

  • সম্পাদনার সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন, ২০২৩
  • ১২৪ বার প্রদশিত হয়েছে

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: গেল প্রায় পাঁচ বছর থেকে রাজশাহীর চাহিদা মেটাচ্ছে দেশি জাতের গরু। এবারও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। রাজশাহীতে এবারও চাহিদার তুলনায় ৭০ হাজারেরও বেশি কোরবানির পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। ঈদের মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি থাকলেও রাজশাহীর পশুর হাটে ক্রেতা নেই। তাই এখনও জমেনি পশুর হাট। সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ডামাডোলে যেন কোরবানির পশু কেনার তোড়জোড় নেই। তাই পশু কেনাকাটায় পড়েছে ভাটা। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী ২১ জুন সিটি নির্বাচনের পরই রাজশাহীর প্রার্থী ও ভোটাররা একযোগে কোরবানির পশুর হাটমুখী হবেন। রাজশাহীর পবা উপজেলার পারিলা ইউনিয়নের তেবাড়িয়া গ্রামের খামারি গোলাম মোস্তফা বলেন, করোনা মহামারির সময় থেকে মূলত গোখাদ্যের দাম বেড়েই চলেছে। খড়-ভুসিসহ অন্যান্য গোখাদ্যের দাম গেল তিন বছরে প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। এর সঙ্গে বেড়েছে বিদ্যুৎ খরচও। এর মধ্যে অসুখ-বিসুখের চিকিৎসা খরচও রয়েছে। এভাবে মোটা অংকের পুঁজি বিনিয়োগ করে কোরবানির মৌসুমকে সামনে রেখে প্রায় বছরজুড়ে গরু-ছাগল লালন-পালন করতে হয়। সব মিলিয়ে বর্তমান বাজারের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে গরু-ছাগলের দামও বাড়ছে বলে জানান তিনি।
এছাড়া পবা উপজেলার বড়গাছি ইউনিয়নের মথুরা গ্রামের নূরুল আমিন বলেন, কোরবানির ঈদ ঘনিয়ে এসেছে। হাটে বিক্রির জন্য এ বছরও দুটি ষাঁড় লালন-পালন করেছেন। কোরবানির হাটে সেই ষাঁড় গরুগুলো এক থেকে দেড় লাখ টাকা দাম উঠবে বলে তার প্রত্যাশা। দুই বছর আগে এর একটি ৪০ হাজার ও অন্যটি ৫০ হাজার টাকায় কিনেছেন। সম্পূর্ণ দেশি পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করেছেন। কোনো রকম হরমোন ইনজেকশন প্রয়োগ করেননি। তাই এগুলোর ভালো দাম পাবেন বলেই আশা করছেন তিনি।
রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ পশুর হাট হচ্ছে ‘সিটি হাট’। এ হাটের ইজারাদার ফারুক হোসেন ডাবলু বলেন, কোরবানির মৌসুমকে সামনে রেখে এবারও হাটে দেশি জাতের গরুরেই আমদানি বেশি। তাই আগের মতো ভারত থেকে পশু আমদানির প্রয়োজন নেই। হাটে এখন পর্যন্ত কোরবানির জন্য পর্যাপ্ত পশু রয়েছে। তবে ক্রেতা নেই। রাজশাহীর মানুষ এখন নির্বাচনমুখী। সবাই ভোট নিয়েই ব্যস্ত। ঈদের এখনও প্রায় দুই সপ্তাহ বাকি, আর ভোটের বাকি এক সপ্তাহ। ধারণা করা হচ্ছে, ভোটের পরপরই সর্ববৃহৎ এ পশুর হাট পুরোদমে জমে উঠবে। বর্তমানে সপ্তাহে দুদিন (রোববার ও বুধবার) সিটি হাট বসছে। এক সপ্তাহ পর প্রতিদিনই হাট বসবে। তখন হাটে তিল ধারণের ঠাঁই থাকবে না।
রাজশাহী প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে রাজশাহীতে ঈদুল আজহায় ৩ লাখ ২৪ হাজার ৯৭৭টি পশু কোরবানি করা হয়েছে। আর আগের বছর যেই পরিমাণ পশু জবাই হয়, পরের বছর সেই পরিমাণ গরুই কোরবানির জন্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। তাই সেই হিসেবে এ বছরও (২০২৩) একই লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। তবে এবার যে পরিমাণ পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে তা এ লক্ষ্যমাত্রাকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ রাজশাহী জেলায় এবার ৪ লাখ কোরবানির উপযোগী পশু রয়েছে। এর মধ্যে গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া রয়েছে। ঈদে রাজশাহীর বিভিন্ন হাটে বিক্রি করা হবে এসব কোরবানির পশু।
রাজশাহী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. জুলফিকার মোঃ আখতার হোসেন বলেন, রাজশাহী জেলায় এবার চাহিদার চেয়েও বেশি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। ২০২৩ সালে রাজশাহীতে ঈদুল আজহায় ৩ লাখ ২৪ হাজার ৯৭৭টি পশু কোরবানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে কোরবানি উপযোগী পশু রয়েছে ৪ লাখ। সেই হিসেবে ৭০ হাজারের বেশি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। তবে এ সংখ্যাও ছাড়িয়ে যাবে। এখনও রাজশাহীর নয় উপজেলা থেকে পশু লালন-পালনের তথ্য আসছে বলেও উল্লেখ করেন এ পশু সম্পদ কর্মকর্তা।
রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) শামীম আহমেদ বলেন, প্রতিবারের মতো এবারও দেশি জাতের পশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা পূরণ হবে। আমদানির কোনো প্রয়োজন নেই। বাজার স্বাভাবিক রাখতে কোনোভাবেই যেন সীমান্ত গলিয়ে ঈদে ভারতীয় গরু আসতে না পারে সেজন্য বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies