অসহনীয় লোডশেডিং এবং বিদ্যুৎখাতের দুর্নীতির প্রতিবাদে পুলিশের বেরিকেড ভেঙ্গে বগুড়ায় বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি ও স্মারকলিপি প্রদান। তবে পুলিশের বেরিকেড ভেঙ্গে মিছিল সমাবেশ করেছে বগুড়া জেলা বিএনপি। দেশব্যাপী বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বগুড়া জেলা বিএনপির উদ্যোগে নেতাকর্মীরা নবাব বাড়ী রোডস্থ দলীয় কার্যালয় থেকে টেম্পল রোডস্থ বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাভ’ক্ত নেসকো বগুড়া বিক্রয় ও বিতরন বিভাগ-১ ও ২ কার্যালয়ের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পথে সার্কিট হাউজ মোড়ে বাধা দেয় পুলিশ। তখন নেতাকর্মীরা পুলিশের বেরিকেড ভেঙ্গে শহীদ খোকন পার্কের সামনে পুলিশের বেরিকেড এর সামনে পড়ে। এরপর পুলিশ এবং বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে ধাক্কাধাক্কি ঘটনা ঘটে। পওে জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ নেসকো কার্যালয়ে নেসকো বগুড়া বিক্রয় ও বিতরন বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল মোন্নাফ এর নিকট স্বারকলিপি প্রদান করেন। স্বারকলিপি প্রদান শেষে শহীদ খোকন পার্কের সামনে সমাবেশ করে।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর তালুকদার হেনার সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক এমপি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, বিএনপি নেতা ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল, জয়নাল আবেদীন চাঁন, লাভলী রহমান, এম আর ইসলাম স্বাধীন, সোনাতলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি একেএম আহসানুল তৈয়ব জাকির, বগুড়া পৌর বিএনপির সভাপতি এ্যাডভোকেট হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদ উন নবী সালাম, কে এম খায়রুল বাশার ও জাহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল, বগুড়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলাম খাদেম, যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক রাকিবুল ইসলাম শুভ, সদস্য সচিব আবু হাসান, ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী রিগ্যান, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক নাজমা আক্তার প্রমুখ। পরে মিছিল নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে যান নেতাকর্মীরা। উক্ত কর্মসূচী বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। সাবেক এমপি লালু বলেছেন, দেশে অব্যাহত লোডশেডিং ও বিদ্যুৎখাতে ভয়াবহ বিপর্যয়ের কারণে জনজীবন আজ বিপর্যন্ত। একদিকে প্রচন্ড গরম অন্যদিকে ঘন ঘন লোডশেডিং মানুষের জীবনকে অতিষ্ট করে তুলছে। তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে বিদ্যুৎখাতে সরকারের ভয়াবহ দুর্নীতি, লুটপাট ও অনিয়মের কারণে বিদ্যুৎখাতে এক নৈরাজ্যজনক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কুইক রেন্টালের মাধ্যমে বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনা করে সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছে। এ সরকারের অধীনে নির্বাচন জনগণ চায় না। নির্দলীয় সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন দিতে হবে।