1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
পাকিস্তানে ‘ভারতসমর্থিত’ ৪১ সন্ত্রাসী নিহত: আইএসপিআর জয়পুরহাটে আবারো কাটা তারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান আমরা বাংলাদেশের নেতৃত্ব যুবকদের হাতে তুলে দিতে চাই-লক্ষ্মীপুরে জামায়াত আমির ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি: তারেক রহমান বগুড়ার বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে জুম্মার নামজ আদায় করলেন তারেক রহমান যে যার অবস্থান থেকে প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান তারেক রহমানের বিএনপি সরকার গঠন করলে শুধু বগুড়া নয় সারাদেশে উন্নয়ন করা হবে- তারেক রহমান আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়নকাজ, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করব- তারেক রহমান প্রয়োজনে জীবন দেব, তবু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না-জামায়াত আমির

আম চাষে ভাগ্য ফিরেছে নওগাঁর পোরশা ও সাপাহারের চাষীদের

  • সম্পাদনার সময় : রবিবার, ৪ জুন, ২০২৩
  • ১৮২ বার প্রদশিত হয়েছে

আজাদুল ইসলাম, মহাদেবপুর (নওগাঁ) সংবাদদাতা ঃ আম চাষে ভাগ্য ফিরেছে ঠাঁ ঠাঁ বরেন্দ্র অঞ্চল হিসেবে পরিচিত নওগাঁর পোরশা ও সাপাহার উপজেলার চাষীদের। খরা প্রবণ এই এলাকায় আগে শুধুমাত্র একটি ফসল ফলতো রোপা আমন। তাও আবার কোনো কোনো বছর সময়মত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এ ফসলও ফলাতে পারতেন না চাষীরা। এ কারণে জমি থাকার পরও অভাব লেগেই থাকতো এ অঞ্চলের মানুষদের। সে অবস্থা এখন আর নেই। আম চাষ পাল্টে দিয়েছে এখানকার চাষীদের ভাগ্য। এক সময়ের সেচের অভাবে অনাবাদী ও এক ফসলি জমিতে এখন সারি সারি আম বাগান। আমের বদৌওলতে এ এলাকার মানুষের ঘরে এসেছে স্বচ্ছলতা। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে ২০০৭ সালের দিকে বরেন্দ্র অঞ্চলের এই দুটি উপজেলায় বাণিজ্যিক ভাবে আম চাষ শুরু হয়। লাভজনক হওয়ায় দ্রুত প্রসার ঘটে আম চাষের। মাটির গুনাগুনে এখানকার আম সুমিষ্ট হওয়ায় দেশব্যাপী বাড়তে থাকে চাহিদা। এ চাহিদা মেটাতে বছরের পর বছর বাড়তে থাকে আমের বাগান। অল্প দিনেই আম উৎপাদনে শীর্ষে থাকা জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জকে পিছনে ফেলে আমের নতুন রাজধানী হিসেবে পরিচিত পেয়েছে বরেন্দ্র অঞ্চলের এই দুই উপজেলা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী পোরশা উপজেলায় ১০ হাজার ৫শ ৫০ হেক্টর জমিতে ও সাপাহার উপজেলায় ১০ হাজার ২শ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের বেধে দেয়া সময় অনুযায়ী গত ২২ মে থেকে গুটি আম, ২৮ মে থেকে গোপালভোগ, ২ জুন থেকে খিরসাপাত ও হিমসাগর আম বাজারে উঠেছে। আগামী ৭ জুন থেকে নাক ফজলি, ১০ জুন থেকে ল্যাংড়া ও হাড়িভাঙ্গা, ২০ জুন থেকে ফজলি, ২২ জুন থেকে আমরুপালী ও ৮ জুলাই থেকে বারি-৪, কাটিমন ও গৌড়মতি আম সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণ করা হবে। বাজারে এবার প্রতিকেজি আম মানভেদে ৪০-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয় বাজারে সরবরাহের পাশাপাশি এ অঞ্চল থেকে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে আম রফতানির প্রক্রিয়া চলছে। স্থানীয় এবং বৈদিশিক বাজার মিলে এ অঞ্চলে এবার ২ হাজার কোটি টাকার আম বাণিজ্যের আশা করছেন চাষীরা। তবে এবার তীব্র খরার কারনে আমের গুটি তুলনামূলক ভাবে ছোট হয়েছে বলে চাষীরা জানান। পোরশা উপজেলার শরিয়ালা গ্রামের কৃষক প্রদিপ চন্দ্র বর্মন জানান, তিনি ৫ বিঘা জমিতে আম বাগান করেছেন। পাইকাররা বাগান থেকেই প্রতি বিঘা জমির আম ১ লক্ষ টাকা দাম করছেন, আম সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করলে আরো বেশি টাকা পাওয়া যাবে বলেও তিনি জানান। পোরশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার সরকার বলেন, খরায় এবার আমের আকার ছোট হলেও উৎপাদনে প্রভাব পরবে না। ঝড় বৃষ্টি না থাকায় এবার আম ঝরে পরার হার কম। এ কারনে আকারে ছোট হলেও সংখ্যায় বেশি হবে। তিনি আরো বলেন, আমই এখন এ অঞ্চলের মানুষের প্রধান অর্থকরি ফসল। আম চাষের মাধ্যমে অনেকেই সাবলম্বি হয়েছেন। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি আম রফতানি করে কিভাবে আরো বেশি আয় করা যায় সে ব্যাপারে চাষীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগীতা করা হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ভালো আম উৎপাদন করে বিদেশে রফতানির জন্য কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies