1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়নকাজ, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করব- তারেক রহমান প্রয়োজনে জীবন দেব, তবু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না-জামায়াত আমির সান্তাহারে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি যুব রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ হজরত শাহ মখদুম (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করলেন তারেক রহমান ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ

সেন্টমার্টিন লণ্ডভণ্ড, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি টেকনাফে

  • সম্পাদনার সময় : রবিবার, ১৪ মে, ২০২৩
  • ১৪৭ বার প্রদশিত হয়েছে

ঘুর্ণিঝড় মোখার আঘাতে সেন্টমার্টিনসহ উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রোববার সকাল ১০টার দিকে এটি কক্সবাজার উপকূলে আঘাত হানে। ক্রমান্বয়ে বাতাসের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। দুপুরের দিকে মোখা তাণ্ডব চালায় সেন্টমার্টিন ও টেকনাফ উপকূলে। বাতাসের তীব্রতা সন্ধ্যা নাগাদ চলে। তবে সাগরে মরা কাটাল থাকায় জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়নি।

রোববার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরান এক ব্রিফিংয়ে জানান, ঘুর্ণিঝড় মোখায় জেলায় ১০ হাজার কাঁচা বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। শুধু সেন্টমার্টিন দ্বীপেই এক হাজার ২০০ বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়। ঝড়ো হাওয়ায় সেন্টমার্টিনসহ টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ ও সাবরাং এলাকায় গাছপালা উপড়ে যায়। তবে মোখায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

এটি একেবারেই প্রাথমিক হিসাব বলে জানান জেলা প্রশাসক।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস জানায়, রোববার সন্ধ্যার পর থেকে ঘুর্ণিঝড় মোখার প্রভাব কমতে শুরু করবে।

জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, উপকূলের বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে দুই লাখ ৩০ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন হোটেল ও আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আরো ৫০ থেকে ৬০ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।

কন্ট্রোল রুম সূত্রে আরো জানা যায়, কক্সবাজার জেলায় সিসিপির আট হাজার ৬০০ জন এবং রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির দুই হাজার ২০০ জন স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে। সেন্টমার্টিনে নেভি, কোস্টগার্ড, পুলিশসহ ৩৭টি সরকারি স্থাপনা রয়েছে। সেখানের সরকারি স্থাপনাগুলো সাইক্লোন শেল্টার হিসেবে ব্যবহারের জন্য বলা হয়েছে। এছাড়াও দুর্যোগকালীন সময়ের জন্য ২০ লাখ নগদ টাকা রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ১০ লাখ টাকা উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। একই সাথে পাঁচ দশমিক ৯০ টন চাল, সাড়ে তিন টন টোস্ট বিস্কুট, তিন দশমিক চার টন শুকনা কেক, ১৯৪ বান্ডিল ঢেউটিন, ২০ হাজার প্যাকেট ওরস্যালাইন ও ৪০ হাজার পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট মজুত রাখা হয়েছে। জেলায় যে ৬৩৬টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে সেগুলোতে পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার ৯৯০ জন মানুষ থাকতে পারবে।

শনিবার সকাল থেকেই মেডিক্যাল টিম, কোস্টগার্ড, নৌ-বাহিনী, পুলিশ, নৌ-পুলিশ, জেলা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক দল, স্কাউট দল, আনসার বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট অন্য সংস্থাকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য বলা হয়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies