রাজশাহী: দেশের মধ্যে জঙ্গিবাদে অর্থায়নের জন্য বিদেশ থেকে টাকা আসার ঘটনাগুলো তদন্তের ক্ষমতা চায় পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)। এন্টি টেররিজম ইউনিটের প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি এসএম রুহুল আমিন এ তথ্য জানিয়ে বলেন, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী এ ধরনের অভিযোগগুলো কেবল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত করে। বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১০টায় রাজশাহীর গ্র্যান্ড রিভার ভিউ হোটেলে বাংলাদেশ পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিট ও ইউনাইটেড নেশনস্ অফিস অন ড্রাগস্ অ্যান্ড ক্রাইম (ইউএনওডিসি)’র যৌথ উদ্যোগে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে সহিংস উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমনের লক্ষ্যে দিনব্যাপী আঞ্চলিক কনসালটেশন ওয়ার্কশপ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। এন্টি টেররিজম ইউনিট প্রধান বলেন, মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকেও জঙ্গিবাদে অর্থায়নের জন্য টাকা এসেছে। জঙ্গিদের পেছনে অর্থের জোগানদাতাদেরও খুঁজে বের করতে বর্তমানে কাজ চলছে। তবে এজন্য তাদের পক্ষ থেকে আইনের সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যাতে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ পুলিশের এটিইউ এবং সিটিটিসি তদন্ত করতে পারে। তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ দমন নিয়ে কখনোই তৃপ্তির ঢেকুর তোলার কোনো সুযোগ নেই। জঙ্গিরা সবসময় চাইবেই আমাদেরকে আউট স্মার্ট করার জন্য। আমাদেরও চেষ্টা থাকবে যে আমাদেরকে তারা যেনো আউটস্মার্ট না করতে পারে। আমাদের সব সময় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। আমরা জানি জঙ্গিরা এখন সে অর্থে এখন সংগঠিত আকারে নেই। তবে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তারা জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধকরণের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তাই এটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। এসময় আরএমপি’র পুলিশ কমিশনার মোঃ আনিসুর রহমান বলেন, কিছু কায়েমী ও স্বার্থন্বেষী মহল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি জন্য জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের মাধ্যমে নানা রকম অপতৎপরতা চালাচ্ছে। বাংলাদেশ পুলিশ জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির ভিত্তিতে কাজ করে চলেছে। আমার বিশ্বাস আজকের কর্মশালায় উপস্থিত বিট পুলিশিং কর্মকর্তা এবং কমিউনিটি পুলিশিং সদস্যদের এ সংক্রান্তে তাদের জ্ঞানের ভিত্তিকে আরও মজবুত করবে। সেইসাথে তারা তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে। কর্মশালায় পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আব্দুল বাতেনসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।