1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়নকাজ, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করব- তারেক রহমান প্রয়োজনে জীবন দেব, তবু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না-জামায়াত আমির সান্তাহারে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি যুব রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ হজরত শাহ মখদুম (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করলেন তারেক রহমান ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ

তাপপ্রবাহ ৪৯ জেলায় শিগগিরই বৃষ্টি হচ্ছে না

  • সম্পাদনার সময় : সোমবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১৩৪ বার প্রদশিত হয়েছে

খরতাপে পুড়ছে দেশ। মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহের আওতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুসারে, আগামী ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই, ফলে তাপপ্রবাহও কমছে না। গতকাল দেশের ৪৯ জেলায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিবেশ। বৃষ্টি না হলে অসহনীয় এ তাপ হ্রাসের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদফতরের কর্মকর্তারা। ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের ৪৮ জেলায় চলছে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ। এর বাইরে কেবল সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলায় একই অবস্থা চলছে। আবহাওয়া অফিস বলেছে, গতকাল রোববার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল চুয়াডাঙ্গায় ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকা শহরে গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। চুয়াডাঙ্গায় গত পাঁচ-ছয় দিন থেকেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড হয়ে আসছে। গতকাল যে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা উঠেছে চলতি গরম মৌসুমে এটাই দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড।

ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস উঠার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, রাস্তায় অনেক যানবাহন, অফিসে ব্যাপক এসি ব্যবহার ও মাথার ওপরে সূর্য থেকে লম্বভাবে কিরণ আসায় ঢাকায় অনেক তাপ। অপর দিকে পুরো ঢাকায় খোলা মাঠ ও সবুজ বন না থাকায় তাপ শোষণ করে নেয়ার কিছু নেই। উপরন্তু সূর্যের তাপ পিচঢালা রাস্তায় পড়ে আবার সেখান থেকে চার দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়া ঢাকায় রয়েছে বেশি মাত্রায় দালানকোঠা। রাস্তা ও দালানকোঠা উত্তপ্ত হয়ে পরিবেশে দীর্ঘ সময় তাপ ছাড়তে থাকায় ঢাকার পরিবেশ সহজে ঠাণ্ডা হয় না এবং দুপুরের দিকে ঢাকাবাসীর কাছে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মতো মনে হয়।

দেশের অবশিষ্ট ১৭ জেলায় তাপমাত্রা সামান্য কম হলেও সেসব জেলা যেকোনো সময় উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। যেকোনো সময় সেসব জেলা চলে আসতে পারে তাপপ্রবাহের আওতায়। বৃষ্টি না থাকায় এসব অঞ্চলে বাতাসও অসহনীয় হয়ে উঠেছে। বাতাসের ঝাপটা কম তবু মাঝে মাঝে সামান্য বাতাস এসে নাকে-মুখে লাগলে মনে হয় আগুনের হলকা এসে লেগেছে।

এ দিকে তীব্র গরমে এ মৌসুমের রোগগুলো সক্রিয় হতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ইতোমধ্যে হাসপাতালগুলোতে ডায়রিয়া আক্রান্তরা আসতে শুরু করেছে। সংখ্যায় কম হলেও দেশের বিভিন্ন স্থানে শুরু হয়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ। গরম বেড়ে গেলে বয়স্কদের মধ্যে শুরু হয়ে থাকে হিটস্ট্রোকের প্রবণতা।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ সোমবারও সারা দেশের তাপমাত্রা বাড়বে। তারা বলছে, বৃষ্টি না হওয়ায় গরম বেড়ে যাচ্ছে। সমুদ্র থেকে যে জলীয় বাষ্প আসছে তাতে মেঘ সৃষ্টি হওয়ার মতো অবস্থা নেই। আবহাওয়াবিদ মো: ওমর ফারুক গতকাল রাতে নয়া দিগন্তকে বলেন, দক্ষিণা বাতাস কমে গেছে বলে জলীয় বাষ্প আসছে না বঙ্গোপসাগর থেকে। ফলে বৃষ্টি হচ্ছে না।

তিনি বলেন, এ সময়ে এমনিতেই দক্ষিণা বাতাস কম থাকে। এর বিপরীতে উত্তর পশ্চিম দিক থেকে বাতাস আসছে। ফলে এই বাতাস দক্ষিণা বাতাসকে প্রতিহত করছে। ফলে বৃষ্টির সম্ভাবনা আরো কমে গেছে। তিনি বলেন, দক্ষিণা বাতাস বেশি থাকলে কালবৈশাখীর পরিমাণও কমে যায়। তিনি বলেন, আগামী ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না এবং এ সময়ের মধ্যে তাপপ্রবাহ কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও নেই। আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুসারে, গতকাল দেশের কোথাও কোনো প্রকার বৃষ্টি হয়নি।

অন্য দিকে বৃষ্টি না হওয়ায় এর প্রভাব পড়বে বোরো উৎপাদনে। যেখানে সেচের ব্যবস্থা আছে অথবা মাটির নিচ থেকে পানি তুলে সেচ দিতে পারছে সেখানে ভালো ফসল উৎপাদন হলেও দেশের অনেক জায়গা রয়েছে যেখানে সেচের ব্যবস্থাই নেই। ইতোমধ্যে দেশের অনেক নদী শুকিয়ে গেছে, চলতি শুষ্ক মৌসুমের মধ্যেই আরো অনেক নদী শুকিয়ে যাবে। ফলে সেচ দেয়ার মতো পানিও থাকছে না।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies