1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বিশ্বের সব মুসলমানকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা: মানবজাতির জন্য কল্যাণ, ক্ষমা ও রহমত লাইলাতুল কদর তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ সোমবার খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ১২ সিটির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ঈদ উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী আদমদীঘিতে প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত আ’লীগের ইফতার মাহফিল পাবনায় গৃহবধূ ফাতেমা হত্যা মামলায় স্বামী রাকিবুলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সুখানপুকুর ইউনিয়ন পরিষদে দুঃস্থদের মাঝে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ নন্দীগ্রামে কোয়ালিটি ফিড’স লিঃ এর উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান বগুড়ায় সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ঘোড়াঘাটে দুস্থদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ সম্পূর্ণ

স্বাধীনতার সুফল প্রত্যেক ঘরে পৌঁছে দিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

  • সম্পাদনার সময় : শনিবার, ১১ মার্চ, ২০২৩
  • ১৭১ বার প্রদশিত হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তার চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। বাবা-মা-ভাই সব হারিয়েছেন, ১৯৮১ সালে যেদিন বাংলাদেশে ফিরেছিলেন সেদিনও তিনি জানতেন না কোথায় থাকবেন, কিভাবে চলবেন তা চিন্তা করেননি। তিনি বলেন, শুধু একটা জিনিষ চিন্তা করেছি এই দেশ আমার বাবা স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। কাজেই এদেশের মানুষের ভাগ্য গড়ে তাদের দারিদ্রের হাত থেকে মুক্তি দিতে হবে। গৃহহীণ মানুষকে ঘর দিতে হবে, তাদের শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। মানুষকে উন্নত জীবন দেয়ার মাধ্যমে স্বাধীনতার সুফল প্রত্যেক ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। শনিবার (১১ মার্চ) বিকেলে ময়মনসিংহের ঐতিহাসিক সার্কিট হাউস মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই স্বাধীনতা লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি। এই স্বাধীনতাকে কোনোমতে ব্যর্থ হতে দেয়া যায় না। তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যের বিষয় আমাদের যারা তথাকথিত বিরোধী দল আছে, তারা মিথ্যা বলে এই স্বাধীনতার সুফল ব্যর্থ করতে চায়। তারা তা পারবে না ইনশাল্লাহ।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। ডেল্টা প্লান বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২১০০ সাল নাগাদ এই ভুখণ্ডকে আরো উন্নত করবো। সেই ওয়াদা দিয়ে গেলাম।

তিনি বলেন, ২০৪১ সালের জন্য আমাদের জনগোষ্ঠী স্মার্ট জনগোষ্ঠী হিসেবে গড়ে ওঠবে। আমাদের অর্থনীতি হবে স্মার্ট, আমাদের কৃষি হবে স্মার্ট, আমাদের স্বাস্থ্য হবে স্মার্ট, তৃণমূল পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের উন্নত জীবন হবে। প্রত্যেকটা গ্রামের মানুষ শহরের নাগরিক সুবিধা পাবে।

ময়মনসিংহ অঞ্চলে বিএনপি-জামাত সরকারের সময়কার সন্ত্রাস ও উগ্রবাদী তৎপরতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি-জামাত সরকারের থাকার সময় তাদের অত্যাচারে মানুষ অতিষ্ঠ ছিল। ময়মনসিংহে চারটি সিনেমা হলে বোমা হামলা হলো এবং অনেক মানুষ তাতে মৃত্যুবরণ করে। প্রতিনিয়ত সারাদেশে বোমা হামলা, গ্রেনেড হামলা, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, লুটপাট-এটাই ছিল ওই বিএনপি-জামাত জোটের কাজ। ওই সময় গফরগাঁওয়ে একজন আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি দখল করে রাতারাতি পুকুর কেটে চারদিকে কলাগাছের চারাও পুঁতে দেয়। তিনি সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে একটি চুলা ও পাকের ঘর থাকার চিহ্ন দেখতে পান। ওটা না থাকলে সেটা যে বসত বাড়ি ছিল, তা বুঝার কোনো উপায় ছিল না।

তিনি বলেন, ওরা মানুষের সম্পত্তি দখল করে আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে যাদের ঘর নাই, বাড়ি নাই, মাথা গোঁজার ঠাঁই নাই, রাস্তার পাশে পড়ে থাকে তাদেরকে ঘর-বাড়ি বানিয়ে জীবন-জীবকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। ইনশাল্লাহ, শেখ মুজিবের বাংলায় আর একটি মানুষও ভূমিহীন বা গৃহহীন থাকবে না। তার সরকার ৩৫ লাখ মানুষকে ঘর করে দিয়েছে, আর অল্প কিছুদিনের মধ্যে আরো ৪০ লাখ মানুষকে ঘর করে দেবে। ইতোমধ্যে বিএনপি সরকারের রেখে যাওয়া ৪১ শতাংশ দারিদ্রের হারকে তার সরকার ২০ ভাগে নামিয়ে এনেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাকালে মানুষকে আমরা বিনে পয়সায় করোনার টিকা দিয়েছি। তা এখনো দিয়ে যাচ্ছি। ময়মনসিংহ চমৎকার একটি বিভাগ, যেখানে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-কৃষি-খাদ্য উৎপাদন সবকিছুতেই এগিয়ে যাবে। আমরা ময়মনসিংহ বিভাগ করেছি। যদি করোনা না হতো, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ না থাকত তাহলে এই বিভাগের কার্যক্রম আরো উন্নত হতো।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় তার নিজের সব অনাবাদি জমিকে চাষের আওতায় এনেছেন উল্লেখ করে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে চলমান বিশ্ব মন্দার প্রেক্ষাপটে দেশের প্রতি ইঞ্চি জমিকে চাষাবাদের আওতায় আনার মাধ্যমে সার্বিক উৎপাদন বাড়ানোর জন্য তার আহ্বান পুণর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, আমরা বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতার ব্যবস্থা করেছি। মানুষ এখন দেশে শান্তিতে বসবাস করছে। এখন আমাদের ২১ লাখ টন খাদ্য মজুত আছে এবং বর্তমানে দেশে কোনো খাদ্য ঘাটতি নেই। এক কোটি মানুষকে আমরা মাত্র ৩০ টাকা কেজিতে চাল কিনতে পারার সুযোগ করে দিয়েছি। প্রায় ৫০ লাখ মানুষকে ১৫ টাকা কেজিতে চাল দিচ্ছি। আবার যাদের একেবারে সামর্থ্য নেই তাদের বিনামূল্যে চাল দেয়া হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দিচ্ছি। সেখানে যুব সমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। বিনা জামানতে যুব সমাজকে ঋণ দেয়া হচ্ছে। যাতে করে তারা অন্যদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে নিতে পারে। নিজেরা উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies