1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বগুড়ায় দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ নন্দীগ্রামে ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বিভিন্ন সহায়তা বিতরণ করলেন এমপি মোশারফ হোসেন কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে পিআইওর ছোট কাজে বড় দুর্নীতি দুপচাঁচিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল দুপচাঁচিয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা ॥ মালামাল জব্দ দুপচাঁচিয়া ইমাম ও মোয়াজ্জিনের সম্মানী ভাতা প্রদান বগুড়ায় সূর্যোদয় ব্যায়াম সংঘের দোয়া ও ইফতার মাহফিল রংপুর সদরে ছাত্রদলের উদ্যোগে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ পলাশবাড়ী সমাজকল্যাণ সংস্থার উদ্যগে দেড় শতাধিক অসহায় মানুষকে ঈদ উপহার বগুড়ায় গরীব ও অসহায়দের মাঝে ইফতার বিতরণ

পদ্মার দুর্গম চরে যানবাহন হিসেবে মোটরসাইকেলই ভরসা!

  • সম্পাদনার সময় : সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ১৯১ বার প্রদশিত হয়েছে

রাতুল সরকার, রাজশাহী: পদ্মার দুর্গম চরে এক সময় বাহন হিসেবে চলতো শুধু গরু-মহিষের গাড়ি। তবে গেলো কয়েক বছর ধরে চরের মানুষের বাহনের অন্যতম ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল। এ চরে কৃষি ছাড়া তেমন কোনো কর্ম নেই। তাই বিকল্প আয়ের উৎস ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল। চরের অন্তত ৭০ যুবক ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। একবার এক যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করতে পারলেই পকেটে আসে ২০০ টাকা। চরের মানুষের কাছে এ টাকাও অনেক বেশি। তবে যাতায়াতের সুবিধার্থে যাত্রীরাও মেনে নিয়েছেন এ পরিবহন। স্থানীয়রা জানান, ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকলেও তারা এমন সংকীর্ণ পথে বাইক চালাতে পারেন। এখানে অবশ্য ট্রাফিক পুলিশ নেই। ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য তাদের কেউ ধরে না। এখানকার চালকরা খুব দক্ষ। চর মাজারদিয়া গ্রামের যুবক মোঃ ঝাটু বলেন, তিন বছর ধরে ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালান। ‘প্রতিদিন ৪০০-৫০০ টাকা আয় হয়। নদীপাড় থেকে গ্রামে এনে দিলে একজন আরোহী ১০০-১৫০ টাকা দেন। এ টাকা দিয়েই পরিবার চলে। বাইকচালক ভাষান বলেন, আগে কৃষি কাজ করতাম। এরপর টাকা জমিয়ে শো-রুম থেকে কিস্তিতে মোটরসাইকেল কিনেছিলাম। এক বছরের মধ্যে কিস্তির টাকা পরিশোধ করেছি। এখন প্রতিদিনই ৪০০ টাকা আয় হলেই সংসার খরচ হয়ে যায়। আর কিছু করা লাগে না। বাইকচালক ঝাটু বলেন, ‘গাড়ি চালাতে আমাদের বড় সমস্যা হচ্ছে রাস্তার। যেখানে ধুলা বেশি সেখানে গর্ত থাকে। আনেকে সেই গর্তে পড়ে যায়। উঁচুনিচু আর ধুলার করণে আমাদের চলতে সমস্যা হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘বছরে ছয়মাস নদী শুকিয়ে থাকে। সেসময় আমরা বেশি ভাড়া পাই। নদীতে পানি বেড়ে গেলে গ্রামে গ্রামে মোটরসাইকেল চালিয়ে আয় করি।’ স্থানীয় জানান, চরবাসীর মোটরসাইকেল ছাড়া কোনো উপায় নেই। বিশেষ করে বৃদ্ধ ও শিশুদের নিয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে গ্রামে ফেরা প্রায় অসম্ভব। তাই একটু বেশি টাকায় হলেও তারা মেনে নিয়েছেন এ পরিবহনকে। পবার হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বজলে রেজবী আল হাসান মুঞ্জিল বলেন, চরে চলাচলের জন্য আগে কিছু ছিল না। মানুষ হেঁটে অনেক কষ্ট করে যাতায়াত করতো। এখন যুবকদের ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল অনেকটাই সহজ করে দিয়েছে। আগে দেখা যেতো চলাচলের সমস্যার কারণেই অনেকে এ চরে আসতেন না। এখন সবাই স্বাচ্ছন্দ্যে আসেন। আমরা অনেক উপকৃত হচ্ছি। চেয়ারম্যান আরও বলেন, চরে রাস্তার অনেক প্রয়োজন ছিল। এরই মধ্যে এখানে তিনটি রাস্তার টেন্ডার হয়ে গেছে। সেগুলো কাজ শুরু হবে। রাস্তা হয়ে গেলে এসব চালকদের সমস্যাও কমবে। পাশাপাশি মানুষের যাতায়াতের সুবিধা হবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies