গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন ও অর্জনগুলো দেশের কিছু সংখ্যক দুর্নীতিবাজ ও স্বার্থন্বেষী মহলের জন্য আজ বিসর্জন হতে চলছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয়করণের সুযোগ নিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ যারা আত্মসাৎ করেছে তাদের বিরুদ্ধে সরকার কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নাই। আর্থিক খাতে এসব দুর্নীতিগ্রস্তদের বিচারহীনতা ক্রমাগত অর্থপাচার, লুটপাট আজ মহামারী আকার ধারণ করছে। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে যেখানে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে সেখানে ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে লুটপাটের ঘটনা জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক। দূর্নীতি ও লুটপাটের রিরুদ্ধে আমাদের সোচ্চার হতে হবে।’ বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টায় গণফোরামের উদ্যোগে সদস্য সংগ্রহ/ নবানয় কর্মসূচী উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, অবিলম্বে এসব চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ ও অর্থপাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির উদ্যোগ নিতে ব্যর্থ হলে দেশে মারাত্মক অর্থনৈতিক সঙ্কট তৈরি হবে।
ড. কামাল হোসেন বলেন, দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সকল রাজনৈতিক দল ও জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। একটি সমৃদ্ধ ও অগ্রসরমান বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হলে জাতীয় ঐক্যমত গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- দলের সাধারণ সম্পাদক ডা: মো: মিজানুর রহমান। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে এসময় উপস্থিত ছিলেন- মফিজুল ইসলাম খান কামাল, অ্যাডভোকেট এস এম আলতাফ হোসেন, মোশতাক আহমদ, শাহ নূরুজ্জামান, শফিউর রহমান খান ও মো: ইয়াসিন প্রমুখ।
দেশব্যাপী ডিসেম্বর-জানুয়ারি গণফোরাম সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি