1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন

নওগাঁর পতœীতলায় গৌড়মতি আম চাষ করে কৃষক জিয়াউল হকের স্বপ্ন পূরুন

  • সম্পাদনার সময় : সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৬৩ বার প্রদশিত হয়েছে

নওগাঁ প্রতিনিধি ঃ নওগাঁর পতœীতলা উপজেলার জিয়াউল হক নামের এক কৃষক ৯ বিঘা জমিতে লেট ভ্যারাইটি জাতের গৌড়মতি আম চাষ করে সফল হয়েছে । গৌড়মতি আমের রং. আকার , স্বাদ এবং সময়ের কারনে ভালো দাম পেয়েছে বলে জানিয়েছেন জিয়াউল হক। তার এই সফলতা দেখে নওগাঁর অনেকেই গৌরমতি আম চাষের দিকে ঝুঁকছে। কৃষক জিয়াউল হক বলেন, নওগাঁর পতœীতলা উপজেলার শিয়ারা ইউনিয়নের সুন্দরপুড় গ্রামের অনেকে বিভিন্ন জাতের আম বাগান করে আম উৎপাদন করছেন । তিনি ভিন্ন ধরনের কিছু আম চাষ করার ভাবনা করতে থাকেন। পরিশেষে প্রথমে তিনি ২০১৯ সালের দিকে ময়মনসিংহ জেলা থেকে গৌড়মতি জাতের আমের চারা সংগ্রহ করে তা রোপন করেন। এব পরে নিজেই বাগানের পরিচর্যা শুরু করেন। পরে ২০২১ সালের দিকে কিছু আম গাছে আমের মুকুল আসে ও আম ধরতে শুরু করে। তিনি ২০২১ সালে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ মন আম বাজার জাত করেন কিন্তু ২০২২ সালে এসে তিনি বাগান পরির্চযার থেকে শুরু করে ৫/ ৬ লাখ টাকা মত খরচ করে এবছর ২৩-২৪ লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক জিয়াউল । তিনি আরও বলেন, সিজোনাল আম এর বাজার দাম কম হয় কিন্তু অসময়ে গৌড়মতি আম এর পরিচর্যা খরচ একটু বেশি তবে এই অসময়ের গৌড়মতি আম বাগান থেকে মণ প্রতি ১০-১২ হাজার টাকা দামে বিক্রয় করা যায়। আমার আম বাগানের পরিচর্যার জন্য ৫ জনকে ৭হাজার টাকা বেতন দিয়ে রেখেছি। এতে করে আমর এলাকার পাঁচটি পরিবারের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পেরেছি। যদি কোনো বেকার যুবক চাকরি না করে গৌড়মতি আমের বাগান তৈরী করে তাহলে সে সুন্দর ভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন। ওই এলাকার আবুল কাশেম নামের এক কৃষক বলেন, আমার ৩ বিঘা জমিতে সিজোনাল আমের বাগান রয়েছে কিন্তু সিজোনাল আমের থেকে গৌড়মতি আম আনেক লাভজনক বলে আমি মনে করছি। আমার বাগানের পাশে জিয়াউল হকের গৌড়মতি আমের বাগানে এই বছর যে পরিমান আম ধরেছে আমি দেখে হতবাক হয়েছি। শুধু তাই নয় সিজোনার আমের চাইতে বাজারে গৌড়মতি আমের অনেক বেশী চাহিদা রয়েছে। চলতি মৌসুমে আমের বাজার দাম ছিলো ২৫শ থেকে ৩হাজার টাকা কিন্তু গৌড়মতি আমের বাজার মণ প্রতি ১০-১২ হাজার টাকায় তা আবার বাগান থেকেই বিক্রয় করছে জিয়াউল হক। এবছর যে দামে গৌড়মতি বিক্রয় হয়েছে এতে করে অনেক টাকা আয় হবে বলে মনে করছি। এই জন্য আমি নিজে এবার নতুন করে ৪বিঘা জমিতে গৌড়মতি আমের চারা রোপন করেছি। আশা করি আগামীতে গৌড়মতি আম বাগান করে আমি সফল হবো। আম চাষীরা জানান, স্থানীয় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের পরামর্শে বাগান পরিচর্যা করেন এসব বাগান মালিকরা। আম চাষী সিদ্দিক হোসেন বলেন, আমি গৌড়মতি আম বাগানে পরিচর্যার কাজ করে মাসে ৭হাজার টাকা বেতন পাই কিন্তু আমি জিয়াউল ভাই এর কাছ থেকে পরার্মশ নিয়ে অন্যের জমি লিজ নিয়ে নিজেই দু’বিঘা জমিতে গৌড়মতি আমের বাগান তৈরী করেছি । আশা করি আগামী মৌসুমে গাছগুলিতে আম ধরবে। আমার বাগানে আম ধরতে শুরু করলে আমি নিজের বাগানে নিজে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবো বলে এমনটি আশা করছি।পতœীতলা কৃষি অফিসার প্রকাশ চন্দ্র সরকার বলেন, গৌড়মতি আম লেট ভ্যারাইটি জাতের আম এবং আমের রং. আকার ও খেতে খুব সুস্বাদু আর সব চেয়ে মজার বিষয় হলো বাজারে গৌড়মতি আমের চাহিদা বেশী এবং বাজারে দামও ভালো রয়েছে। তবে এ মাসের শেষের দিকে এ আমের মৌসুম শেষ হবে। বর্তমানে গৌড়মতি আমের সফলতা দেখে পতœীতলা উপজেলার অনেক কৃষক গৌড়মতি আম বাগান তৈরীতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। আমরা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগীতা করে যাচ্ছি এবং এ সহযোগীতা অব্যহত থাকবে বলে তিনি জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies